বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, জোটনেত্রী খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য সব চেষ্টাই চলছে। আইনি প্রক্রিয়ায় তার মুক্তির চেষ্টা করেছি। সরকার চাইলেই খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসার জন্য ব্যবস্থা করতে পারে। কিন্তু করছে না। সে ব্যাপারে সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি, কথা বলেছি। আন্দোলনের বিভিন্ন কর্মসূচিও হয়েছে। আগামী দিনে যে প্রক্রিয়ায়, যেভাবে খালেদা জিয়ার মুক্তি সম্ভব, নিশ্চয়ই সেটাই করা হবে এবং ২০ দলীয় জোট সেই প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ত থাকবে। খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে ২০ দলীয় জোট আলোচনা করেই কর্মসূচি দেবে বলেও জানান জোটের সমন্বয়কারী।

রোববার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি কার্যালয়ের সেমিনার কক্ষে ২০ দলীয় জোটের উদ্যোগে খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশে তিনি এ সব কথা বলেন।

সরকারের উদ্দেশে নজরুল ইসলাম খান বলেন, কৃতজ্ঞতাবোধ থেকে আপনাদের উচিত এই অসুস্থ মানুষটাকে (খালেদা জিয়া) সুস্থ হওয়ার প্রাপ্য সুযোগ দেওয়া, তার সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করা।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়া কোনো অপরাধ করেননি। মানবিক ও গণতান্ত্রিক আচরণ আমরা নিশ্চয়ই চাই। আর সেই আচরণ না হলে জনগণ কীভাবে প্রতিক্রিয়া দেখায় এই দৃষ্টান্ত সারা দুনিয়ায় আছে। আমরা গণতান্ত্রিক পন্থায় আন্দোলন-সংগ্রাম করতে চাই এবং গণতন্ত্রের পথেই নেত্রীকে আমাদের মাঝে ফিরিয়ে আনতে চাই।

লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরানের পরিচালনায় আলোচনা সভায় জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) মোস্তফা জামাল হায়দার, আহসান হাবিব লিংকন, জামায়াতে ইসলামীর অধ্যাপক আবদুল হালিম, মঞ্জুরুল ইসলাম ভূঁইয়া, এনপিপির ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, ন্যাপ-ভাসানীর আজহারুল ইসলাম, জাগপার দুই অংশের খন্দকার লুৎফর রহমান ও আসাদুর রহমান খান, এলডিপির দুই অংশের ইসমাইল হোসেন বেঙ্গল ও সাহাদাত হোসেন সেলিম প্রমুখ বক্তব্য দেন।