কৃষি ক্ষেত্রে বাংলাদেশ অসাধারণ সাফল্য অর্জন করেছে বলে দাবি করেছেন কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাক।

তিনি সোমবার রাজধানীর ফার্মগেটে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) চত্ত্বরে জাতীয় মৌ মেলার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এ দাবি করে বলেছেন, দানাদার খাদ্যে বাংলাদেশ এখন স্বয়ংসম্পূর্ণ।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের এই মেলায় ৭৪টি স্টল রয়েছে। বুধবার পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত এই মেলা উন্মুক্ত থাকবে। মেলা উপলক্ষে সোমবার বিএআরসি চত্ত্বর থেকে বিজয় স্মরণি মোড় পর্যন্ত মানব উদ্দীপন বন্ধন, বিএআরসি মিলনায়তনে ‘পুষ্টি নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির জন্য মৌ চাষ’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. আবদুল মুঈদের সভাপতিত্বে সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার, কৃষি সচিব নাসিরুজ্জামান ও বিএআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. শেখ মোহাম্মদ বখতিয়ার। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিকল্পনা ও মূল্যায়ন উইংয়ের সাবেক পরিচালক ড. সৈয়দ নুরুল আলম। স্বাগত বক্তব্য দেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হর্টিকালচার উইংয়ের পরিচালক কবির হোসেন।

কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, আগে মধু সীমিত আকারে উৎপাদন করা হতো। এখন নতুন প্রযুক্তির মাধ্যমে বাণিজ্যিকভাবে মধু উৎপাদন করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে বিদেশি প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে মধু উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকরণ হচ্ছে। এ বছর ৪০০ টন মধু রপ্তানি করা হবে। বাংলাদেশের মধু এখন জাপানেও রপ্তানি হচ্ছে।

খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, পুষ্টি চাহিদা নিশ্চিত করতে মধু একটি অনন্য খাদ্য। মধুর মধ্যে বিশেষ গুণ আছে। মধু শরীরের জন্য অনেক উপকারী।