করোনা ও বন্যার মধ্যেও মানুষের ঈদের আনন্দের কমতি হয়নি: নৌপ্রতিমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৩ আগস্ট ২০২০     আপডেট: ০৩ আগস্ট ২০২০   

সমকাল প্রতিবেদক

নৌমন্ত্রণালয়ের অফিসকক্ষে খালিদ মাহমুদ চৌধুরী

নৌমন্ত্রণালয়ের অফিসকক্ষে খালিদ মাহমুদ চৌধুরী

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, করোনা ও বন্যা পরিস্থিতির মধ্যেও বাংলাদেশের মানুষ ঈদ উদযাপন করেছে, কোরবানি দিয়েছে। মানুষের মাঝে ঈদের আনন্দের কমতি দেখা যায়নি। মানুষ সবকিছুর মধ্যে আনন্দ ভাগ করে নিয়েছে। করোনা ও বন্যা মোকাবিলা করে আমরা যাতে এগিয়ে যেতে পারি তার জন্য মহান সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করছি।

সোমবার নৌমন্ত্রণালয়ের অফিসকক্ষে ঈদ পরবর্তী সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা অর্থনীতির চালিকা শক্তি ধরে রাখতে পেরেছি। ঈদের পর প্রথম দিন থেকেই সচিবালয়ের কর্মকাণ্ড স্বাভাবিক হয়ে আসছে। অর্থনীতির চলমান প্রবাহ ধরে রেখে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তুলতে সক্ষম হবো।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘পদ্মার তীব্র স্রোত ও ভাঙ্গনের কারণে মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাটের তিন নম্বর ফেরিঘাটটি ভেঙ্গে যাওয়ায় ৩১ জুলাই রাত থেকে কিছু সময়ের জন্য শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ী রুটে ফেরি চলাচল বন্ধ ছিল।  ঈদের দিন বিকেলে আমি শিমুলিয়া ঘাট এলাকা পরিদর্শন করি এবং সেদিন বিকেল থেকে পণ্যবাহী যান নিয়ে ফেরি চলাচলের নির্দেশ দেই। পরে যাত্রীবাহী বাসও ফেরিতে চলাচল করছে। তেমন সমস্যা হচ্ছে না। মোটরসাইকেলের চাপ অনেক বেশি। শিমুলিয়ায় অন্য তিনটি ঘাট দিয়ে ফেরি চলাচল করছে। শিমুলিয়ায় আরেকটি ফেরিঘাট নির্মাণের জন্য বিআইডব্লিউটিএকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’  

খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘মানিকগঞ্জ থেকে পাটুরিয়া ঘাটে যাওয়ার রাস্তাটি দু’লেন বিশিষ্ট। রাস্তাটি সরু থাকায় যানবাহনের অতিরিক্ত চাপের ফলে ঈদের আগে সেখানে কিউ (ভিড়) তৈরি হয়েছিল। শিমুলিয়া থেকে দু’টি রো রো ফেরি পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ঘাটে আনার ফলে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ফেরিরুটে জট তৈরি হয়নি। ফেরি স্বল্পতা বা স্রোতের জন্য তেমন জট সৃষ্টি হচ্ছে না। এখন কিছুটা স্বাভাবিক হয়ে আসছে। ফেরি দ্রুত চলাচল করতে পারলে রাস্তার চাপ বা জট অনেকটা কমে যাবে।