সম্রাট পাচার করেছেন ১৯৫ কোটি টাকা

তদন্তের পর সিআইডির মানি লন্ডারিং মামলা

প্রকাশ: ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২০   

সমকাল প্রতিবেদক

ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট- সমকাল

ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট- সমকাল

ক্যাসিনোকাণ্ডে আলোচিত ঢাকা মহানগর (দক্ষিণ) যুবলীগের বহিস্কৃত সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট অবৈধভাবে উপার্জিত ১৯৫ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছেন। সহযোগী এনামুল হক আরমানের সহায়তায় সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায় তিনি এ টাকা পাচার করেন- এমন প্রমাণ পেয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। এ প্রমাণের ভিত্তিতে রোববার সিআইডি বাদী হয়ে সম্রাট ও আরমানের বিরুদ্ধে রমনা থানায় অর্থ পাচার আইনে মামলা করেছে।

সম্রাট ২০১১ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত সিঙ্গাপুরে ৩৫ বার, মালয়েশিয়ায় তিনবার, দুবাইয়ে দুইবার এবং হংকংয়ে একবার ভ্রমণ করেছেন। তার সহযোগী এনামুল হক আরমান এ সময়ে সিঙ্গাপুরে ২৩ বার ভ্রমণ করেছেন। আরমান সম্রাটের ক্যাশিয়ার হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

সিআইডি জানিয়েছে, রাজধানীর মতিঝিল, ফকিরাপুল, পল্টন ও কাকরাইল এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে অবৈধ কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে বিপুল অবৈধ অর্থ উপার্জন করেছেন সম্রাট। তার বিরুদ্ধে রমনা থানায় অস্ত্র ও মাদক আইনে পৃথক মামলা রয়েছে। জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের দায়ে সম্রাটের নামে দুর্নীতি দমন কমিশনও (দুদক) মামলা করেছে।

গত বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর ক্যাসিনো ও দুর্নীতিবিরোধী অভিযানে প্রথম গ্রেপ্তার করা হয় ঢাকা দক্ষিণ যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়াকে। পরে তাকে যুবলীগ থেকে বহিস্কার করা হয়। এরপর সম্রাট ও তার সহযোগীরা আত্মগোপনে চলে যান। তবে একই বছরের ৬ অক্টোবর কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থেকে সম্রাটকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। একই সঙ্গে তার অন্যতম সহযোগী ও ঘনিষ্ঠ বন্ধু দক্ষিণ যুবলীগের বহিস্কৃত সহসভাপতি এনামুল হক আরমানকেও গ্রেপ্তার করা হয়।