অবৈধ দখলে থাকা রাজধানীর পার্কগুলোকে উদ্ধার করাই প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনের অঙ্গীকার বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম। তিনি বলেছেন, অবৈধভাবে দখল করে রাখা পার্কগুলোতে আগামী ৩ অক্টোবর থেকে উচ্ছেদ অভিযান শুরু হবে। উচ্ছেদ করে জনগণের পার্ক জনগণের হাতে তুলে দেওয়া হবে। এটাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৪তম জন্মদিনের অঙ্গীকার।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৪তম জন্মদিন উপলক্ষে সোমবার গুলশান-২ নম্বর বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ পার্কে ডিএনসিসি আয়োজিত দুই দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের উদ্বোধনকালে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী তাজুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন আসাদুজ্জামান নূর এমপি, একেএম রহমত উল্লাহ এমপি, শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন এমপি, সূবর্ণা মুস্তাফা এমপি, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব নাসির উদ্দীন ইউসুফ বাচ্চু, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিপ্লব বড়ূয়া, স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ, তুরস্কের রাষ্ট্রদূত মোস্তফা ওসমান তুরান, ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম রেজা প্রমুখ।

উদ্বোধন অনুষ্ঠান শেষে অতিথিরা মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে লেখা বিভিন্ন বই দিয়ে সাজানো দুটি ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি 'পরম্পরা'র উদ্বোধন করেন এবং শিশু-কিশোরদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা পরিদর্শন করেন। পরে শান্তির প্রতীক পায়রা মুক্ত করা হয়। সব শেষে কবিতা আবৃত্তি ও সংগীত পরিবেশন করা হয়। এসব কর্মসূচিতে আসাদুজ্জামান নূর, আবৃত্তিশিল্পী আহকাম উল্লাহ, শিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা প্রমুখ অংশ নেন। মেয়র আতিকুল ইসলাম নিজেও একটি গানে কণ্ঠ দেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী তাজুল ইসলাম বলেন, সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করেই দেশকে উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় অদম্য গতিতে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বিশ্ব পরিমণ্ডলে শুধু নিজেকেই আলোকিত করেননি, পুরো জাতিকে আলোকিত করেছেন।

তিনি বলেন, ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হারিয়ে পুরো জাতি যখন দিশেহারা, স্বাধীনতা যখন বিপন্নপ্রায়, তখন বঙ্গবন্ধুর খুনি ও স্বাধীনতাবিরোধী চক্রের চোখ রাঙানি উপেক্ষা করে শেখ হাসিনা দেশে ফিরেই বাংলার মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের লক্ষ্যে নিজেকে দেশের জন্য অর্পণ করেছেন।