আলিয়া মাদ্রাসা সংলগ্ন মাঠ উন্মুক্ত করা হবে: মেয়র তাপস

প্রকাশ: ২১ অক্টোবর ২০২০     আপডেট: ২১ অক্টোবর ২০২০   

সমকাল প্রতিবেদক

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস জানিয়েছেন, আলিয়া মাদ্রাসা সংলগ্ন মাঠটি উন্নয়ন করে তা এলাকার জনগণের জন্য নান্দনিক খেলার মাঠ হিসেবে উন্মুক্ত করা হবে। এটি উম্মুক্ত হলে এলাকার জনগণের মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের উন্নয়ন হবে।

বুধবার সাপ্তাহিক নিয়মিত পরিদর্শনের অংশ হিসেবে পুরাতন কেন্দ্রীয় কারাগার ও আলিয়া মাদ্রাসা সংলগ্ন খেলার মাঠ এবং কেন্দ্রীয় কারাগার ঘিরে গৃহীত প্রকল্প ও প্রকল্প অনুষঙ্গগুলো পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা জানান।

মেয়র তাপস বলেন, পুরাতন কেন্দ্রীয় কারাগার এবং আলিয়া মাদ্রাসা সংলগ্ন মাঠ ও পুরাতন কেন্দ্রীয় কারাগার ঘিরে কারা কর্তৃপক্ষের গৃহীত পুরো প্রকল্পের অনুষঙ্গগুলোর আদ্যোপান্ত তিনি দেখেছেন। প্রকল্পে কিছু পরিবর্তন আনা সমীচীন হবে বলে তিনি মনে করেন না। কারণ, প্রধানমন্ত্রী চান, এখানে নান্দনিক পরিবেশ বিরাজ করুক, উন্মুক্ত খেলার মাঠ থাকুক। তাই, এই মাঠকে উন্মুক্ত খেলার মাঠ হিসেবে খুলে দেয়ার জনদাবি রয়েছে। জনগণের সেই দাবির সঙ্গে তিনি সহমত পোষণ করেন।

মেয়র ব্যারিস্টার শেখ তাপস আরও বলেন, কারা কর্তৃপক্ষ চাইলে তারা এই মাঠের উন্নয়ন করতে পারেন। নতুবা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন হতেও এই মাঠের উন্নয়ন করে এলাকার জনগণের জন্য উন্মুক্ত করে দিতেও পারবে। তবে প্রধান বিবেচ্য হলো, এই এলাকার জনগণ যাতে এই মাঠের সুবিধা গ্রহণ করতে পারে।

এক প্রশ্নের জবাবে মেয়র তাপস বলেন, প্রকল্পটি এমনভাবে বাস্তবায়ন করা হবে যেন নতুন প্রজন্ম জেলখানা ঘিরে ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্পর্কে জানতে পারে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধ শেখ মুজিবুর রহমান ও জাতীয় চার নেতার কী পরিমাণ ত্যাগের মহিমায় এই দেশকে স্বাধীন করেছেন- সে বিষয়ে তুলে ধরা হবে। প্রকল্পের আওতায় জেলখানা ঘিরে থাকা সব ইতিহাস সংরক্ষণ করা হবে।

পরে ডিএসসিসি মেয়র ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের চিত্রামহল পার্কের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম, ৩৮-৪১-৪২ নম্বর ওয়ার্ডস্থ ধোলায়খালের বিভিন্ন এলাকা এবং ৪২ নম্বর ওয়ার্ডের ডিআইটি মার্কেট, পানির ট্যাংক ও সিটি কর্পোরেশন মার্কেট পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হাজী মোহাম্মদ সেলিম, আইজি প্রিজন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মামুন, দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর বদরুল আমিন, প্রধান প্রকৌশলী রেজাউর রহমান, প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা রাসেল সাবরিন, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা আরিফুল হকসহ ওয়ার্ড কাউন্সিলরবৃন্দ।