ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) এলাকায় সর্বাধিক সংখ্যক মানুষকে করোনার টিকার আওতায় আনতে প্রস্তুতি নিতে কর্মকর্তা কর্মচারীদের নির্দেশ দিয়েছেন ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম।

রোববার রাজধানীর গুলশানে ডিএনসিসি নগর ভবনে করোনার ভ্যাক্সিনের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে ভ্যাকসিন কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে আয়োজিত সমন্বয় সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ নির্দেশ দেন।

সভায় জানানো হয়, উন্নত বিশ্বে ইতিমধ্যে কোভিড-১৯ এর টিকা দেয়া শুরু হয়েছে। চলতি মাসের শেষের দিকে অথবা আগামী মাসের প্রথমেই ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট থেকে ভ্যাক্সিনের প্রথম চালান দেশে পৌঁছাবে। প্রথম পর্যায়ে ৩ কোটি ডোজ ভ্যাক্সিন পাওয়া যাবে, যা দিয়ে দেড় কোটি মানুষকে টিকার আওতায় আনা যাবে। চলতি বছরের মাঝামাঝি সময়ে কোভেক্সের সহায়তায় আরও ৬ কোটি ডোজ ভ্যাক্সিন পাওয়া যাবে, যার মাধ্যমে আরো ৩ কোটি মানুষকে টিকার আওতায় আনা যাবে। তাছাড়া সরাসরি টিকা কেনার জন্য বাংলাদেশ সরকার ইতিমধ্যেই টিকা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে যোগাযোগ করছে। আশা করা যায় এই বছর শেষ হবার আগেই দেশের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষকে টিকার আওতায় আনা যাবে।

আতিকুল ইসলাম বলেন, ডিএনসিসি এলাকায় এই ভ্যাক্সিনের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করে সবচেয়ে বেশি মানুষকে টিকার আওতায় আনার জন্য এখনই প্রস্তুতি নিতে হবে।

সভায় ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম রেজা, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জোবায়দুর রহমান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক বেলাল হোসেন, ঢাকার সিভিল সার্জন মঈনুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।



বিষয় : ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম

মন্তব্য করুন