রাজউকের নকশায় মাটিকাটা থেকে ভাষানটেক পর্যন্ত রাস্তার প্রশস্ততা একশ’ ফুট। সংযোগ সড়কগুলোর প্রশস্ততা ২০ ফুট থাকার কথা। কিন্তু এ রাস্তাটির দুইপাশের ভবন মালিকরা ভবন তৈরির সময় রাস্তার কয়েক ফুট দখল করে ভবন তৈরি করেছেন। ফলে কোথাও রাস্তার প্রশস্ততা মাত্র ৮-৯ ফুটে ঠেকেছে। ফলে ওই রাস্তায় ভয়াবহ যানজট তৈরি হয়। মঙ্গলবার ওই রাস্তা উদ্ধারেই অভিযানে নামে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। অভিযান চালিয়ে কয়েকটি ভবনের অংশবিশেষ গুড়িয়ে দেওয়া হয়।

উচ্ছেদ অভিযান পরিদর্শনে গিয়ে মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমার কাছে এই এলাকার জনগণ এবং জনপ্রতিনিধিরা এসে অনুরোধ করেছে রাস্তা বড় করার জন্য। তাই আমরা আজ এখানে এসেছি। এই রাস্তা যদি চওড়া হয়, মানুষ তার উপকার ভোগ করবে।’

দখলদারদের হুঁশিয়ার করে মেয়র বলেন, ‘যারা এভাবে বিভিন্ন জায়গায় অবৈধভাবে দখল করে আছে, তাদের জন্য আমার মেসেজ হচ্ছে আপনারা নিজ উদ্যোগে সরে যান। অন্যথায় এভাবে উচ্ছেদ করা হবে। রাজউকের নকশার বাইরে কোনো প্রকার দখল টিকিয়ে রাখা হবে না। খালের দুই পাড় থেকে যেভাবে অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করা হচ্ছে, একইভাবে রাজউকের নকশার বাইরে যারা ভবন তৈরি করেছেন, সেগুলোকেও উচ্ছেদ করা হবে। জনগণকে ভোগান্তিতে ফেললে, তা কোনোভাবে বরদাস্ত করা হবে না।’

পরিদর্শনকালে ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম রেজা, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমডোর এম সাইদুর রহমান, ১৫ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর সালেক মোল্লাহ, ১৬ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মতিউর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।