ঢাকা শনিবার, ০২ মার্চ ২০২৪

আন্তর্জাতিক ফিলিস্তিন সংহতি দিবস পালন

ঢাবি শিক্ষার্থীদের ‘মার্চ ফর প্যালেস্টাইন’

ঢাবি শিক্ষার্থীদের ‘মার্চ ফর প্যালেস্টাইন’

মার্চ ফর প্যালেস্টাইন

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক 

প্রকাশ: ২৯ নভেম্বর ২০২৩ | ১৯:৫০ | আপডেট: ২৯ নভেম্বর ২০২৩ | ২০:২১

ফিলিস্তিনের প্রতি সংহতি জানিয়ে ‘মার্চ ফর প্যালেস্টাইন’ কর্মসূচি পালন করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থীরা। বুধবার (২৯ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে বিশাল পতাকা নিয়ে এ কর্মসূচি শুরু হয়। এর পর ভিসি চত্বর, ফুলার রোড হয়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গিয়ে কর্মসূচি শেষ হয়। এতে অংশ নেন শত শত শিক্ষার্থী।

মার্চ ফর প্যালেস্টাইনের পতাকাটিকে বাংলাদেশের ইতিহাসে ফিলিস্তিনিদের জন্য সবচেয়ে বড় পতাকা প্রদর্শন বলে অভিহিত করেছেন আয়োজকরা।

কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীরা আরবি, তুর্কি, হিব্রু, গ্রিকসহ ১৪টি ভাষায় ফিলিস্তিনের পক্ষে ‘লাব্বাইক লাব্বাইক, লাব্বাইক ইয়া আকসা; ফ্রম দ্য রিভার টু দ্য সি, প্যালেস্টাইন উইল বি ফ্রি; ইন্তিফাদা ইন্তিফাদা, জিন্দাবাদ জিন্দাবাদ; জায়নবাদ নিপাত যাক, ফিলিস্তিন মুক্তি পাক ইত্যাদি স্লোগান দেন। 

গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী মাইশা মালিহার সঞ্চালনায় অর্থনীতি বিভাগের ছাত্র জয়েন উদ্দিন তন্ময় ‘ইন্তিফাদা’ কবিতা আবৃত্তি করেন। কবি হাসান রোবায়েত ‘লাব্বাইক আল-আকসা’ কবিতা পাঠ করেন। মানবাধিকার কর্মী অরূপ রাহী ফিলিস্তিনের প্রতি সংহতি জানিয়ে বক্তব্য দেন। শিল্প-সাহিত্যের পত্রিকা রণপার ‘বিশেষ ক্রোড়পত্র: ফিলিস্তিনের আজাদির লড়াই’র মোড়ক উন্মোচন করা হয়। ডাকসুর সাবেক সমাজসেবা সম্পাদক আখতার হোসেন অনুষ্ঠানের সমাপনী বক্তব্য দেন। গান পরিবেশন করে সিলসিলা ব্যান্ড। কর্মসূচিতে সংহতি জানান গণতান্ত্রিক ছাত্রশক্তি, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন ও সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতারা। 

ঢাবি শিক্ষার্থী আল আমিন বলেন, ফিলিস্তিনে ইসরায়েল অমানবিক আচরণ করছে। সেখানে মানবাধিকার বেহাল। নির্বিচারে সাধারণ মানুষকে হত্যা করা হচ্ছে। আমরা এর অবসান চাই। আমরা জানিয়ে দিতে চাই, ফিলিস্তিনের পাশে আছি। এ জন্যই আজকের কর্মসূচি।  

নুসরাত তাবাসসুম বলেন, আমরা ফিলিস্তিনের আজাদি জনগণের প্রতি সংহতি জানিয়ে এই মার্চে অংশ নিয়েছি। এর মাধ্যমে আমরা বাংলাদেশের জনগণকে ইসরায়েলি পণ্য বয়কট এবং ফিলিস্তিনিদের পাশে থাকার অনুরোধ জানাই। 

কর্মসূচিতে যোগ দেন বাংলাদেশে অধ্যয়নরত ফিলিস্তিনি শিক্ষার্থী মোহাম্মদ ইসহাক নামোরা। তিনি বলেন, আমরা ৭৫ বছর ধরে ইসরাইলের এই বর্বর হামলার শিকার হচ্ছি। প্রতিদিন আমরা জমি হারাচ্ছি, জীবন হারাচ্ছি এবং মানুষ হিসেবে বেঁচে থাকার মর্যাদা হারাচ্ছি। দুই মাস ধরে আপনারা যা দেখছেন তা শুধু এর একটি অধ্যায় মাত্র।

আজ ফিলিস্তিনিদের প্রতি আন্তর্জাতিক সংহতি দিবস। ১৯৭৭ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ২৯ নভেম্বরকে ফিলিস্তিনি জনগণের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করতে ‘আন্তর্জাতিক ফিলিস্তিন সংহতি দিবস’ হিসেবে গ্রহণ করে। 

আরও পড়ুন

×