গবেষণাধর্মী বই ‘ভারত ভাগে বাংলার বিয়োগান্তক ইতিহাস’ এর মোড়ক উন্মোচন ও প্রকাশনা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। এটি রচনা করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ-এর অধ্যাপক ও নর্দান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ ট্রাস্ট- এর চেয়ারম্যান ড. আবু ইউসুফ মো. আব্দুল্লাহ।

বুধবার রাজধানীর বানানীতে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল হায়ার স্টাডিজ-এর হলরুমে এ উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নর্দান ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন লেখক, গবেষক ও বাংলা একাডেমির সভাপতি শামসুজ্জামান খান। সম্মানিত অতিথি ছিলেন কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন ও সাবেক তথ্য-প্রতিমন্ত্রী সৈয়দ দীদার বখত।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ওয়াজেদ জাফর, কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ড. হারুন-উর-রাশিদ আসকারী ও কবি- গবেষক বিলু কবীর।

অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন নর্দান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আবু ইউসুফ মো. আব্দুল্লাহ।

বক্তারা আলোচনায় বলেন, ১৯৪৭ সালের দ্বিজাতীতত্ত্বের বিভাজন সাধারণ মানুষের প্রত্যাশিত ছিল না। সাম্প্রদায়িক চেতনাকে পুঁজি করে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার ফসল হলো দাঙ্গা। এই মোক্ষম অস্ত্র ব্যবহার করল রাজনৈতিক নেতারা। ইংরেজরা তাদের দোসরদের দিয়ে ভারত ও বাংলাকে ভাগ করে দিল। ভারতের হাজার বছরের ইতিহাস এভাবেই বদলে গেলো। ভারত ও বাংলা ভাগের প্রকৃত ইতিহাস প্রতিটি বাঙালিরই জানা দরকার।