টানা ছয়দিন দগ্ধ শরীর নিয়ে যন্ত্রণা ভোগের পর শিশু শিক্ষার্থী আরাফাত হোসেনের (১১) মৃত্যু হয়েছে। রোববার সকালে ঢাকার শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সে মারা যায়। গত ১৫ মার্চ ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া অটো রাইস মিলের ফেলে রাখা জলন্ত ছাইয়ে দগ্ধ হয় আরাফাত।

মারা যাওয়া আরাফাত হোসেম ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার পাশ্ববর্তী কৈয়ের চালা গ্রামের সিএনজি চালক আয়নাল হকের ছেলে।

মুঠোফোনে শিশু আরাফাতের মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেন তার মামা জামাল উদ্দিন।

তিনি জানান, আগুনে আরাফাতের শ্বাসনালী ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় তার শ্বাসকষ্ট বেড়ে গিয়েছিল। রোববার সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সে মারা যায়।

গত ১৫ মার্চ বিকেলে ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার বাক্তা ইউনিয়নের শ্রীপুর গ্রামে নানার বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে রাস্তার পাশে খেলতে যায় আরাফাত। এ সময় অটো রাইস মিলের ফেলে রাখা পরিত্যক্ত ছাইয়ের টিবিতে পড়ে তার শরীরের নীচের অংশসহ ৬০শতাংশ পুড়ে যায় । গুরুতর আহত অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করে প্রথমে ফুলবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। কিন্তু অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় চিকিৎসকরা তাকে মচিমহা হাসপাতালে রেফার্ড করেন। সেখান থেকে পরে আরাফাতকে ঢাকার শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এ ব্যাপারে ফুলবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশরাফুল সিদ্দিক জানায়, ঘটনাটি খুব মর্মান্তিক, নিশ্চয়ই খোঁজ নিয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।