চট্টগ্রাম ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হতাহতের প্রতিবাদে রাজধানীতে বিক্ষোভ করেছেন ছাত্রদল, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীরা। শনিবার রাজধানীর অন্তত পাঁচটি স্থানে একযোগে এ বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময়ে বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা প্রায় ১০টি গাড়ি ভাঙচুর করে বলে জানা গেছে।

ছাত্রদল, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে একটি মিছিল রাজধানীর মালিবাগ থেকে শুরু হয়ে কর্ণফুলী গার্ডেন সিটির সামনে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। সমাবেশে যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, এ অবৈধ সরকারের আয়ু শেষ হয়ে গেছে। যেকোনো সময়ে এ সরকারের পতন ঘটবে। 

সমাবেশে যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন হাসান, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদির ভুইয়া জুয়েল, ছাত্রদলের সভাপতি ফজলুর রহমান খোকনসহ কয়েক শতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। এখানে ২/৩টি গাড়ি ভাঙচুর করা হয় বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।


ছাত্রদলের আরেকটা মিছিল রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালের সামনে থেকে শুরু হয়ে এলিফ্যান্ট রোড প্রদক্ষিণ করে। মিছিলে ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ, সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামল, সহ-সভাপতি জাকিরুল ইসলাম জাকির, মোক্তাদির হোসেন তরু, ঢাকা মহানগর পশ্চিমের সাধারণ সম্পাদক সাফায়েত রাব্বি আরাফাত, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক আকতার হোসেন এবং সদস্য সচিব আমান উল্লাহসহ অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এসময়ে নেতাকর্মীরা এলিফ্যান্ট রোডে ৮টি গাড়ি ভাঙচুর করেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।

রাজধানীর ধোলাইখাল এলাকায় বিএনপির তিন সংগঠনের যৌথ ব্যানারে আয়োজিত আরেকটি মিছিল হয়। এতে যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোরতাজুল করিম বাদরু, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়, ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফ মাহুমদ জুয়েল, আদনান, আরিফ এমদাদ, বেলাল হোসেন খান, কবি নজরুল করেজের সিরাজুল ইসলাম সিরাজসহ কয়েক শতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

তিন সংগঠনের আরেকটি মিছিল মহাখালী রেলগেট থেকে শুরু হয়ে তিতুমীর কলেজ প্রদক্ষিণ করে আবার মহাখালীতে পুলিশের বাধার মুখে পড়ে। এসময়ে লাঠিচার্জে বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হন।  মিছিলে নেতৃত্ব দেন ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের সভাপতি এসএম জাহাঙ্গীর হোসেন, ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি ফকরুল ইসলাম রবিন, ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের সভাপতি মিজানুর রহমান রাজ। এতে কয়েক শতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।