জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার আদিবাসী পল্লিতে আরতী রানী ওরাঁও (৩৭) নামে এক নারীকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের লোকজনের বিরুদ্ধে। উপজেলার আয়মা রসুলপুর ইউনিয়নের ভেদলার মোড় পশ্চিম কৃষ্ণপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

থানা সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার রাতে খগেন ওরাঁওয়ের বাড়িতে পূর্বশত্রুতার জের ধরে প্রতিপক্ষ একই গ্রামের মফিজ উদ্দিনের ছেলে আবু নাসির, তার ছেলে আবু নাহিদ, গ্রাম পুলিশ রুহুল আমিন, আবু নাসিরের স্ত্রী মঞ্জুয়ারা দেশি অস্ত্র নিয়ে অতর্কিত হামলা চালায়। এতে আরতী রানী গুরুতর আহত হন। রাতেই তাকে জয়পুরহাট জেলা আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করেন প্রতিবেশীরা। চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার রাতে তিনি মারা যান। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন জয়পুরহাটের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার ইখতিয়ার আলম।

পাঁচবিবি থানার ওসি পলাশ চন্দ্র দেব জানান, পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য আরতী রানীর মরদেহ জেলা আধুনিক হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। প্রতিবেদন হাতে পেলেই রহস্য বের হবে।

এদিকে দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনে আওতায় নিয়ে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন পাঁচবিবি উপজেলা আদিবাসী সংস্কৃতিক ও ভূমি রক্ষা কমিটির সভাপতি শ্রীনাথ মাহাতো। আরতী রানীর পরিবারের পক্ষ থেকে সোমবার রাতেই পাঁচবিবি থানায় হত্যা মামলা করা হয়েছে। হত্যার সঠিক বিচার চান নিহতের ছেলে বিজয় ওরাঁও।