মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, দেশের দুগ্ধ শিল্পকে বিকশিত করে বিশ্বমানে উন্নীত করা হবে। এ জন্য সরকার সব ধরনের সহযোগিতা দেবে।

মঙ্গলবার রাজধানীর একটি হোটেলে বিশ্ব দুগ্ধ দিবস ও দুগ্ধ সপ্তাহ উদ্বোধন উপলক্ষে সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ও জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

মন্ত্রী বলেন, দুগ্ধজাতীয় পণ্যের বহুমুখীকরণ ও বৈচিত্র্য আনা অত্যন্ত জরুরি। এজন্য বেসরকারি উদ্যোক্তাদের এগিয়ে আসতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বেসরকারি খাতকে বিকশিত করতে সব পদক্ষেপ নিয়েছেন। এমন পদক্ষেপ উপমহাদেশের কোনো রাষ্ট্র নেয়নি।

সাভারে প্রতিষ্ঠিত আন্তর্জাতিকমানের মাননিয়ন্ত্রণ গবেষণাগারে দুধের মান ও স্বাস্থ্যগত বিষয় পরীক্ষার ব্যবস্থা রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, পুষ্টি মানসমৃদ্ধ দুধের জন্য এর উৎসে থাকা গবাদিপশুর খাবারের মান অবশ্যই বিবেচনায় রাখতে হবে। শুধু দুধ খেলেই হবে না, দুধ হতে হবে মানসম্মত। করোনকালে প্রাণী খাদ্য ও মৎস্য খাদ্য আমদানির সমস্যা আমরা তাৎক্ষণিকভাবে পদক্ষেপ নিয়ে দূর করেছি। দুধ উৎপাদনকারী ও ভোক্তাদের জন্য আমরা ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় ব্যবস্থা করেছি। এতে উৎপাদক ও ভোক্তারা লাভবান হয়েছেন।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. শেখ আজিজুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেনমৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব রওনক মাহমুদ, বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মো. আবদুল জলিল এবং জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার বাংলাদেশ প্রতিনিধি রবার্ট ডি সিম্পসন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শাহ্‌ মো. ইমদাদুল হক, শ্যামল চন্দ্র কর্মকার, সুবোল বোস মনি ও মো. তৌফিকুল আরিফ প্রমুখ।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রাক্তন মহাপরিচালক ড. জাহাঙ্গীর আলম খান। প্রবন্ধের ওপর বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিমেল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ড. নীতিশ চন্দ্র দেবনাথ, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম এবং প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক ড. হীরেশ রঞ্জন ভৌমিক।