স্মার্ট সিটি গড়ে তোলার লক্ষ্যে ঢাকা উত্তরের ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় স্মার্ট পোল স্থাপন করছে টেলিযোগাযোগ অবকাঠামো সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ইডটকো বাংলাদেশ এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন-ডিএনসিসি। 

সম্প্রতি একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে প্রতিষ্ঠান দুটি। রাজধানীবাসীর জন্য উন্নত ও নির্বিঘ্ন সংযোগ সুবিধা নিশ্চিৎ করাই এই পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপের (পিপিপি) লক্ষ্য।

নাগরিকদের নির্বিঘ্ন সংযোগ সেবা প্রদান করতে গৃহীত স্মার্ট পোল স্থাপনের এই উদ্যোগটি সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে একই ছাতার নিচে নিয়ে এসেছে।

এই স্মার্ট পোল স্ট্রিট ফার্নিচার সলিউশনটি নেটওয়ার্ক কাভারেজ বৃদ্ধির পাশাপাশি বর্ধিত ডেটা ব্যবহারের চাহিদা পূরণে সক্ষম হবে।

বর্তমানে ডেটা ব্যবহার বাড়তে থাকায় একই এলাকায় একাধিক টাওয়ার তৈরির প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে। এ অবস্থায় উদ্ভাবনী ও টেকসই এই সমাধানটি বাড়তি টাওয়ার স্থাপন না করেই ডেটার অতিরিক্ত চাপ কমানোর পাশাপাশি গ্রাহকদেরকে আরো ভালো সেবার প্রদানের সুযোগ করে দিচ্ছে।

এছাড়া ফোর-জি, ফাইভ-জি সুবিধাসম্বলিত এই স্মার্ট অবকাঠামোগুলো বাংলাদেশের কাঙ্ক্ষিত ডিজিটাল রূপান্তরকে আরও ত্বরান্বিত করবে।

এই প্রকল্পের আওতায় শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে - ফ্রি ওয়াইফাই সুবিধা, স্মার্ট বিনের মাধ্যমে ডিজিটাল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পরিসেবা এবং রিয়েল টাইম এয়ার কোয়ালিটি মনিটরিংয়ের মতো স্মার্ট ফিচারের ব্যবস্থা থাকবে।

এছাড়াও সমন্বিত এই সলিউশনটিতে নিরাপত্তা নজরদারি, এনার্জি সেভিং এলইডি লাইট এবং ডিজিটাল সাইনেজের মতো আধুনিক সুবিধাও প্রতিস্থাপনের সুবিধা থাকছে।

ইডটকো বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রিকি স্টেইন বলেন, ‘ডিএনসিসি’র সাথে আমাদের এই অংশীদারিত্বমূলক চুক্তিটি মূলত নান্দনিক নগর পরিকল্পনার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আরও উন্নত ও টেকসই টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে আমাদের দায়বদ্ধতারই প্রমাণ। সার্বিকভাবে আমরা এমন একটি শহর গড়ে তুলতে আগ্রহী, যেটি কেবলমাত্র নির্বিঘ্ন যোগাযোগ সুবিধাই নয়, বরং শহরের বাসিন্দাদের আরও সংযুক্ত, নিরাপদ ও সুরক্ষিত রাখবে।’

দু’পক্ষের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের সময় ডিএনসিসির মেয়র আতিকুল ইসলাম, চিফ টাউন প্ল্যানার মাকসুদ হাশেম, ইডটকো বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রিকি স্টেইন, ডিরেক্টর কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড প্ল্যানিং ইশরাত জেরিন, হেড অফ সেলস এন্ড মার্কেটিং রেভেন দেওয়ানসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশে এখন নিজস্ব মালিকানায় ১১ হাজারেরও বেশি টেলিকম টাওয়ার পরিচালনা করছে ইডটকো বাংলাদেশ।


মন্তব্য করুন