রাজধানীর আগারগাঁওয়ে সংসদ সচিবালয় কোয়ার্টার থেকে উদ্ধার হওয়া নুসরাত জাহানের (২৮) মরদেহ তার বাবা নিয়ে গেছেন। রোববার শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়। তবে সন্ধ্যা পর্যন্ত ওই ঘটনায় কোনো মামলা হয়নি, পুলিশও পলাতক স্বামী মামুন মিল্লাতকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।

শনিবার বিকেলে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে প্রতিবেশীদের ফোন পেয়ে সংসদ সচিবালয়ের বি-২ নম্বর কোয়ার্টারে একটি বাসার দরজা ভেঙে নুসরাতের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনার পর তার স্বামী মামুন মিল্লাত পালিয়ে যান। যিনি পুলিশ কর্মকর্তা পরিচয়ে নুসরাতকে নিয়ে তিন মাস ধরে ওই কোয়ার্টারে সাবলেট নিয়ে বসবাস করে আসছিলেন। মামুন মিল্লাতকে বিয়ের পর ধর্মান্তরিত হয়ে মুসলিম হন আদিবাসী তরুণী নুসরাত। তার বাড়ি খাগড়াছড়ি জেলায়। তিনি জেলা ছাত্রলীগের নেত্রী ছিলেন।

শেরেবাংলা নগর থানার ওসি জানে আলম মুন্সী সমকালকে বলেন, ময়নাতদন্তের পর বাবার কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে। তবে ওই ঘটনায় আপাতত মামলা হয়নি। পুলিশ পলাতক মামুন মিল্লাতকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে। তাকে গ্রেপ্তার করা গেলে বোঝা যাবে, এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা। এরপরই মামলা হবে।

পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, মামুন মিল্লাত পুলিশের কেউ নন। তাকে গ্রেপ্তার করা গেলে প্রতারণার সব তথ্য বের হবে।

বিষয় : তরুণীর মরদেহ পলাতক স্বামী সংসদ কোয়ার্টারে লাশ

মন্তব্য করুন