স্থায়ী পে-কমিশন গঠন করে নবম পে-স্কেল ঘোষণার মাধ্যমে বেতন বৈষম্য নিরসন এবং গ্রেড অনুযায়ী বেতন স্কেলের পার্থক্য সমহারে নির্ধারণ ও গ্রেড সংখ্যা কমানোসহ নানা দাবিতে মানববন্ধন করেছেন তৃতীয় শ্রেণির সরকারি কর্মচারীরা।

শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

১১ থেকে ২০তম গ্রেডের সরকারি চাকরিজীবীদের ‘সম্মিলিত অধিকার আদায় ফোরামের’ ব্যানারে মোট আট দফা দাবি তুলে ধরা হয়। এতে বলা হয়, পে-স্কেল বাস্তবায়নের আগে অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে যৌক্তিক পরিমাণে মহার্ঘ্যভাতা প্রদান করতে হবে।

বাকি সাত দাবির মধ্যে রয়েছে- এক ও অভিন্ন নিয়োগ বিধি বাস্তবায়ন করা, সকল পদে পদোন্নতি বা পাঁচ বছর পরপর উচ্চতর গ্রেড প্রদান করে ব্লক পোস্ট নিয়মিত করা, টাইমস্কেল, সিলেকশন গ্রেড পুনর্বহালসহ বেতন জ্যেষ্ঠতা বজায় রাখা, সচিবালয়ের মতো সচিবালয়ের বাইরের সব দফতর, অধিদফতর ও পরিদফতরে পদবি ও গ্রেড পরিবর্তন করা, সকল ভাতা বাজার চাহিদা অনুযায়ী পুনঃনির্ধারণ করা, নিম্ন বেতনভোগীদের জন্য রেশনের ব্যবস্থা করা এবং বিদ্যমান গ্র্যাচুইটি বা আনুতোষিক হার ৯০ শতাংশের পরিবর্তে ১০০ ভাগ পুনঃনির্ধারণসহ পেনশন গ্র্যাচুইটির হার এক টাকা সমান ৫০০ টাকা করা এবং কাজের ধরন অনুযায়ী পদের নাম ও গ্রেড একীভূত করা।

ফোরামের সভাপতি মো. লুৎফর রহমানের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য দেন কার্যকরী সভাপতি কাজী ফাহাদুর রহমান রাজু, শফিকুল ইসলাম খান, জাহাঙ্গীর হোসেন, মো. মোফাজ্জল হোসেন, মো. রফিকুল ইসলাম মামুন ও মো. আবুল হোসেন, মো. রেহান, ছারোয়ার হোসেন তালুকদার, আছাদুজ্জামান পান্না, সাহিদুল ইসলাম সম্রাট, আবুল খায়ের উজ্জল, আব্দুর রাজ্জাক, সৈয়দ মুত্তাকিম আলী, আনিসুর রহমান, মো. তারিকুল ইসলাম, গাজী আবুল কালাম এবং আরিফুল ইসলাম ও মো. মনির হোসেন, অহিদ উল্লাহ এবং  ঢাকা মহানগর, বিভিন্ন বিভাগ ও জেলা থেকে আগত নেতারা এবং অন্যান্য সংগঠনের নেতারা।

বিষয় : নবম পে-স্কেল ঘোষণা স্থায়ী পে-কমিশন গঠন

মন্তব্য করুন