নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কে বাঁশের তৈরি ব্যারিকেড, মোড়ে মোড়ে পুলিশের তল্লাশি এবং জেলা প্রশাসনের কঠোর নজরদারির মধ্যদিয়ে খুলনায় লকডাউনের প্রথম দিন অতিবাহিত হয়েছে। মাস্ক ছাড়া বাইরে বের হওয়া, নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে দোকান খোলা রাখা এবং অহেতুক বাইরে ঘোরাঘুরি করায় ১৭ জনকে স্বল্পমেয়াদে (২/১ দিনের) কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন জরিমানা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে নগরীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, সকাল থেকেই গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে অবস্থান নিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ব্যক্তিগত গাড়ি ও মোটরসাইকেলে তল্লাশি করা হচ্ছে। নগরীর সড়কে গণপরিবহন হিসেবে ব্যবহৃত থ্রি-হুইলার ও ইজিবাইক চলতে দেওয়া হয়নি। খুলনা থেকে আন্তঃজেলা ও দূরপাল্লার কোনো বাস ছেড়ে যায়নি। ভোর থেকে ট্রেন চলাচলও বন্ধ ছিল।

নগরীর সাতরাস্তা মোড়ে গিয়ে দেখা গেছে, পুলিশের তল্লাশি চলছে। এ সময় অপ্রয়োজনে বাইরে বের হওয়া এবং মাস্ক না পরায় কয়েকজনকে আটক করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ইকবালনগর সড়কের মুখে বাঁশ ও কাঠ দিয়ে ব্যারিকেড দিয়েছে এলাকাবাসী। সেখানে কোনো যানবাহনই প্রবেশ করতে পারছে না।ব্যরিকেড দেওয়া হয়েছে দোলখোলা সড়কেও। 

সকালে নগরীর বিভিন্ন এলাকার মুদি দোকান ও বাজার খোলা ছিল। দুপুর ২টায় সবকিছু বন্ধ হয়ে যায়। মূলত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতায় অনেকটা বাধ্য হয়ে লকডাউন পালন করছে নগরীর মানুষ।

খুলনার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন জানান, মঙ্গলবার স্বাস্থ্যবিধি পালনে মহানগরী ও জেলার ৯টি উপজেলায় একযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। এ সময় ২৩টি মামলায় ৪০ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা আদায় এবং ১৭ জনকে স্বল্পমেয়াদে (২/১ দিনের) কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

বিষয় : খুলনা কঠোর লকডাউন

মন্তব্য করুন