রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পে বালিশকাণ্ডের মামলায় পাবনা গণপূর্ত বিভাগের সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী মাসুদুল আলমসহ ৭ প্রকৌশলীর জামিন কেন বাতিল করা হবে না তা জানতে চেয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রতি রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। দুদকের করা এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি এস এম মজিবুর রহমান সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের ভার্চুয়াল বেঞ্চ সোমবার এ রুল জারি করেন। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

অপর প্রকৌশলীরা হলেন- পাবনা গণপূর্ত বিভাগের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী আহমেদ সাজ্জাদ খান ও মোস্তফা কামাল, উপসহকারী প্রকৌশলী জাহিদুল কবীর, শফিকুল ইসলাম, সহকারী প্রকৌশলী মো. তারেক ও আমিনুল ইসলাম। গত ১৩, ১৫ ও ১৬ জুন পাবনার জেলা আদালত বালিশকাণ্ডে অভিযুক্তদের জামিন দেন। ওই আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করে দুদক। সেই আবেদন শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট এ রুল জারি করেন। সোমবার আদালতে দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশিদ আলম খান, রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক।

রূপপুর বিদ্যুৎ প্রকল্পের বালিশকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ২০১৯ সালের ১২ ডিসেম্বর পাবনায় দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে পৃথক চারটি মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এরপর ১৩ কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করে দুদকের একটি দল। আসামিদের বিরুদ্ধে দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় পাবনায় করা চার মামলায় আসবাবসহ বিভিন্ন সামগ্রী কেনার নামে প্রায় ৩১ কোটি ২৪ লাখ ৪৭ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়। একটি বালিশের পেছনে ব্যয় করা হয়েছে ৬ হাজার ৭১৭ টাকা। এর মধ্যে দাম বাবদ ৫ হাজার ৯৫৭ টাকা আর বালিশটি নিচ থেকে ফ্ল্যাটে ওঠাতে ৭৬০ টাকা খরচ উল্লেখ করা হয়েছে।