চট্টগ্রামে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে এক গৃহবধূ ও এক কিশোরীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। 

শুক্রবার রাতে নগরের বায়েজিদ বোস্তামী থানার রৌফাবাদ সোহাগের কলোনি থেকে তাদের উদ্ধার করা হয়। তাদের চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে বাসায় এনে আটকে রেখে যৌনবৃত্তিতে বাধ্য করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

গ্রেপ্তার তিনজন হলো- কুমিল্লার লাকসাম থানার নারায়ণপুর গ্রামের মৃত মো. মুসলিম উদ্দিনের মেয়ে সুরমা বেগম সুমি, নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ থানার চরফকিরহাট গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে তানজিল হোসেন ও চরকালা গ্রামের মো. হেলালের ছেলে এমরান হোসেন।

বায়েজিদ বোস্তামী থানার ওসি মো. কামরুজ্জামান বলেন, উদ্ধার গৃহবধূ জানিয়েছেন তার স্বামী অসুস্থ থাকায় দীর্ঘদিন ধরে বেকার। গত ৭ জুলাই কাজের খোঁজে গৃহবধূ চট্টগ্রাম শহরে আসেন। চাকরি খুঁজতে গিয়ে এ চক্রের খপ্পরে পড়েন তিনি। তাকে চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে সোহাগের কলোনির ভাড়া বাসায় জিম্মি করে আসামিরা। ২২ জুলাই একই কথা বলে নিয়ে আসা হয় ওই কিশোরীকে। পরে তাদের অসামাজিক কাজে লিপ্ত হতে বাধ্য করা হচ্ছিল। তারা রাজি না হলে মারধর করা হতো। 

শুক্রবার রাতে গৃহবধূ কৌশলে নিজের মোবাইল থেকে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে সহযোগিতা চান। পুলিশ গিয়ে তাদের উদ্ধার এবং তিনজনকে গ্রেপ্তার করে।