চিকিৎসক সনদ ছাড়াই দীর্ঘদিন ধরে রোগী দেখছিলেন কাপাসিয়ার বাসিন্দা মো. জালালউদ্দিন (৩৮)। শেষ রক্ষা হয়নি। রোববার তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইসমত আরা সমকালকে জানান, রাতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, দেওয়া হয়েছে ১৫ দিনের কারাদণ্ড।

এলাকাবাসী সমকালকে জানান, মো. জালালউদ্দিন নিজেকে চিকিৎসক দাবি করে কাপাসিয়া উপজেলার ঘাগটিয়া ইউনিয়নের চালা বাজারে মায়া ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রোগী দেখছিলেন। কিন্তু জালালউদ্দিন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যবস্থাপনা বিষয়ে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন।

ভুয়া চিকিৎসকের খবর পেয়ে রোববার রাতে চালা এলাকায় অভিযানে যান উপজেলা নির্বাহী অফিসার। 

মায়া ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চিকিৎসা নিয়ে বের হয়ে যাওয়া এক শিশুর পরিবারের কাছ থেকে ব্যবস্থাপত্র নিয়ে জালালকে জেরা করেন ইসমত আরা।

এসময় জালালউদ্দিন স্বীকার করেন, তিনি ভুয়া চিকিৎসক।

পরে মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিল আইন ২০১০ এর ২৮ ধারা অনুযায়ী  ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইসমত আরা বলেন, ব্যবস্থাপত্রে ওই শিশুকে যে ওষুধ ও সেবনের ডোজ উল্লেখ করা হয়েছে তা ছয় বছর বয়সী শিশুদের বেলায় প্রযোজ্য নয়।