ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেছেন, অপরিকল্পিত ঢাকায় সুস্থ জীবনযাপনের সুস্থ পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে। এ জন্য সমাজের সর্বস্তরের মানুষকেই নিজ নিজ অবস্থান থেকে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে।

শুক্রবার রাজধানীর উত্তরা থেকে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ডিএনসিসির উদ্যোগে পরিচালিত বিশেষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিদর্শনকালে আতিকুল ইসলাম এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ডিএনসিসির পক্ষ থেকে শিক্ষার জন্য সুস্থ পরিবেশ নিশ্চিত করা হচ্ছে।

মেয়র বলেন, করোনায় দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো খুলে দেওয়ার আগেই ডিএনসিসি এলাকার প্রায় সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিটি শ্রেণিকক্ষে ফগিং ও স্প্রে এবং খেলার মাঠ, ছাদসহ চারপাশ পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন করা হবে। পাশাপাশি টয়লেট বা অন্য কোথাও পানি জমে থাকলে সেখানে লার্ভিসাইডিং করা হবে।

শুক্রবার মিরপুরের দারুসসালাম সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়সহ অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। সরকারি-বেসরকারি ও আধাসরকারি মোট ৪৪৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৮ থেকে ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিন দিনব্যাপী বিশেষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের শেষ দিন ছিল শুক্রবার। তবে যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গণটিকার আওতায় করোনার দ্বিতীয় ডোজ প্রদান কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে, সেগুলোয় শনিবার বিশেষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

সংশ্নিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানসহ শিক্ষকদের প্রতি সব শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের মাস্ক পরিহিত অবস্থায় সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে পাঠদানের ব্যবস্থার বিষয়ে খেয়াল রাখার আহ্বান মেয়র আতিকুল ইসলামের। তিনি বলেন, নিজেদের বাসাবাড়ি কিংবা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোথাও যাতে তিনদিনের বেশি পানি জমে না থাকে, সেজন্য তিন দিনে একদিন, জমা পানি ফেলে দিন। সময়ের চাহিদায় সবাই মিলে ‘১০টায় ১০ মিনিট প্রতি শনিবার, নিজ নিজ বাসাবাড়ি করি পরিষ্কার’ স্লোগান বাস্তবায়নের মাধ্যমে সুস্থতার জন্য সামাজিক আন্দোলনকে সফল করতে হবে।