একশনএইড দারিদ্র্য বিমোচন ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় ১৯৮৩ সাল থেকে বাংলাদেশে কাজ করছে। প্রতিষ্ঠানটির গৌরবময় ৩৮ বছরের পথচলায় শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে 'অ্যাক্ট অন এইড' শিরোনামে প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। এতে বিশেষ উদ্যোগ, সাফল্যের গল্প ও ভবিষ্যত কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরা হয়।

প্রদর্শনীর পাশাপাশি একশনএইড বাংলাদেশ এর কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ্‌ কবিরের সঞ্চালনায় দেশের শিল্পপতি, সমাজসেবী, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব, শিক্ষাবিদ ও সফল তরুণদের 'ইনক্লোসিভ ডেভেলপমেন্ট পার্টনারশীপস টুওয়ার্ডস অ্যাটেইনিং দ্যা এসডিজিস' শিরোনামে প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য ও ক্লাইমেট পার্লামেন্ট বাংলাদেশ এর আহ্বায়ক নাহিম রাজ্জাক, ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সাবেক সভাপতি শামস মাহমুদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ও বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সানেম (সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনমিক মডেলিং) এর নির্বাহী পরিচালক ড. সেলিম রায়হান, দৈনিক ইত্তেফাকের প্রকাশক ও নির্বাহী পরিচালক তারিন হোসেন, নারী উন্নয়ন সংস্থা বিন্দু'র প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক জান্নাতুল মাওয়া, সামাজিক উদ্যোক্তা ও আন্তর্জাতিক শিশু শান্তি পুরস্কার প্রাপ্ত সাদাত রহমান, রিডিকুলাস ফিউচার এর এডুকেটর, ফিউচারিস্ট শাকিল আহমেদ, ইউনিলিভার বাংলাদেশ লিমিটেড এর হেড অব কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স শামীমা আক্তার।

নাহিম রাজ্জাক বলেন, বর্তমান সময়ে পলিসি তৈরিতে তরুণদের কণ্ঠ শোনা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পলিসি তৈরিতে নীতিনির্ধারক ও জনগণের মধ্যে ব্যবধান কমাতে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব ও জনগণের সম্পৃক্ততা জরুরি।

একশনএইড এর কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ্‌ কবির বলেন, একশনএইড যেদিন ভোলার চর ফ্যাশন থেকে যাত্রা শুরু করে- সেদিন কেউ চর ফ্যাশন সম্পর্কে জানত না। সহজে পৌঁছানো যায় না এমন প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে কাজ করছি। তিনি এসডিজি অর্জন ও সুন্দর সবুজ বাংলাদেশের গড়তে সমাজের প্রত্যেককে এগিয়ে আসার আহবান জানান।

প্যানেল আলোচনার পর একশনএইড এর 'হ্যাপি হোম' প্রকল্পের নারীরা সঙ্গীত, নাচ, কবিতা এবং নাটক পরিবেশন করেন। কণ্ঠশিল্পী বাপ্পা মজুমদার, দেশের প্রথম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর নারীদের ব্যান্ডদল এফ মাইনর সঙ্গীত এবং কৌতুক অভিনেতা নাভিদ মাহবুবের বিশেষ পরিবেশনা অনুষ্ঠানটি উপভোগ্য করে তোলে।