দেশের কারাগারগুলোতে বর্তমানে মৃত্যুদণ্ডাদেশ পাওয়া মোট এক হাজার ৯৮৭ জন কয়েদি কনডেম সেলে রয়েছেন। এর মধ্যে পুরুষ কয়েদি এক হাজার ৯৩৩ জন এবং নারী কয়েদি ৫৪ জন। দেশে মোট কনডেম সেলের সংখ্যা দুই হাজার ৫৯৯টি। কারা অধিদপ্তর সূত্রে এইসব তথ্য জানা যায়। এই হিসাব ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।

রোববার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে হাইকোর্ট বেঞ্চে এই সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়। পরে হাইকোর্ট মৃত্যুদণ্ড পাওয়া এসব কয়েদির সুযোগ-সুবিধা সংক্রান্ত লিখিত প্রতিবেদন আগামী ১৪ নভেম্বরের মধ্যে দাখিলের জন্য নির্দেশ দেন। 

২০ সেপ্টেম্বর কারাগারগুলোতে মৃত্যুদণ্ড পেয়ে কনডেম সেলে থাকা সব বন্দিদের তথ্য জানতে চান হাইকোর্ট। এরই ধারাবাহিকতায় রোববার কারা অধিদপ্তরের প্রতিবেদনটি হাইকোর্টে উপস্থাপন করেন রিটকারীর পক্ষে আইনজীবী শিশির মনির। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল এএম আমিন উদ্দিন।

মৃত্যুদণ্ডাদেশ চূড়ান্ত হওয়ার আগে সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে কনডেম সেলে রাখার বৈধতা চ্যলেঞ্জ করে মৃত্যুদণ্ডাদেশ পাওয়া তিন আসামির পক্ষে ২ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টে একটি রিট দায়ের করা হয়। ১৮ জুন একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদনও যুক্ত করা হয় রিট আবেদনে। পরে হাইকোর্ট ৩১ অক্টোবরের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।