ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার চারটি ইউনিয়নে নৌকার প্রার্থীদের হামলা-ভাঙচুর ও হুমকির কারণে এলাকায় আসতে পারছেন না বলে অভিযোগ করেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। তারা দাবি করেন, স্থানীয় প্রশাসনকে এ বিষয়ে অভিযোগ দিয়েও কোনো প্রতিকার মেলেনি। এই স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। ৩১ জানুয়ারি এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

মঙ্গলবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা অভিযোগ করেন, নির্বাচন থেকে সরে না দাঁড়ানোয় তাদের ওপর প্রতিনিয়ত হামলা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে তারা নির্বাচন কমিশন, স্থানীয় প্রশাসন ও এমপির সহযোগিতা চেয়েছেন।

সংবাদ সম্মেলনে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে ছিলেন ১১ নম্বর কৈলাইল ইউনিয়নের পান্নু মিয়া, নাসির উদ্দিন আহমেদ, ১৪ নম্বর চুড়াইন ইউনিয়নের আব্দুল জব্বার ভূঁইয়া, ১৩ নম্বর গালিমপুর ইউনিয়নের রেজাউর রহমান ও ৬ নম্বর যন্ত্রাইল ইউনিয়নের নুর আলম।

প্রার্থী আব্দুল জব্বার ভূঁইয়া অভিযোগ করেন, প্রতীক বরাদ্দ হওয়ার পর নৌকার প্রার্থী আব্দুল জলিল বেপারী সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে তার নেতাকর্মী-সমর্থকদের মারধর, স্থানীয় পুলিশের সহযোগিতায় হয়রানি এবং লিফলেট বিতরণ ও পোস্টার সাঁটানোয় প্রতিনিয়ত বাধা দিচ্ছে।

একই অবস্থা ১৩ নম্বর গালিমপুর ইউনিয়ন পরিষদ এলাকায়। নৌকার প্রার্থী আজিম তার সহযোগীদের নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থীর চানহাটির পৈতৃক বাড়ি ঘেরাও করে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর হুমকি দিয়েছেন।

১১ নম্বর কৈলাইল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী পান্নু মিয়া। তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচনী প্রচারে প্রতিনিয়ত বাধার সম্মুখীন হচ্ছেন। পাশাপাশি তার কর্মীদের মারধর এবং তার বাড়িতে গিয়েও সন্ত্রাসী হামলা করা হচ্ছে।

৬ নম্বর যন্ত্রাইল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী আনারস প্রতীকের নুর আলম। তিনিও একই ধরনের অভিযোগ করেন।

প্রার্থী নাসির উদ্দিন বলেন, এ অবস্থা চলতে থাকায় প্রার্থীদের পালিয়ে থাকতে হচ্ছে। থানা পুলিশকে জানালেও তারা নীরব থাকছে।