করোনাভাইরাসের টিকাদানে বাংলাদেশের প্রশংসা করে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের রাজনৈতিক বিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল ভিক্টোরিয়া নুল্যান্ড বলেছেন, বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার বড় অংশ টিকাদান কর্মসূচির আওতায় এসেছে। টিকাদানে বাংলাদেশের এ অর্জন প্রশংসনীয়। ভবিষ্যতে এক্ষেত্রে বাংলাদেশ আরও উন্নতি করবে। প্রয়োজনে আরও টিকা সহায়তা দেওয়া হবে।

সোমবার রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে টিকা ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এসব কথা বলেন।

ভিক্টোরিয়া নুল্যান্ড আরও বলেন, বাংলাদেশের টিকাদান কর্মসূচির শুরু থেকেই যুক্তরাষ্ট্র সহায়তা করে আসছে। বিশাল জনগোষ্ঠী বিশেষ করে শিশু থেকে বৃদ্ধ সবাইকে টিকার আওতায় আনা সহজ কাজ নয়। কিন্তু বাংলাদেশ এটি করতে সফল হয়েছে। এখন দ্বিতীয় ও বুস্টার ডোজের কার্যক্রম চলছে। এ কার্যক্রমেও যুক্তরাষ্ট্র সহায়তা করছে এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে। বাংলাদেশের সঙ্গে বিদ্যমান সুসম্পর্ক আরও জোরালো করতে যুক্তরাষ্ট্র সোচ্চার রয়েছে বলে জানান তিনি।

টিকাদানে সহায়তার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, করোনা মহামারির মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র কখনও ভেন্টিলেটর, কখনও চিকিৎসাসামগ্রী আবার কখনও টিকা পাঠিয়ে সহায়তা করেছে। বিশ্বব্যাপী যখন টিকার জন্য হাহাকার অবস্থা ছিল তখন যুক্তরাষ্ট্র ছয় কোটি ১০ লাখ ডোজ ফাইজার ও মর্ডানার টিকা দিয়েছে। এর মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হয়েছে। এ সহায়তার জন্য যুক্তরাষ্ট্র সরকারের কাছে কৃতজ্ঞতা জানাই।

এ সময় অন্যদের মধ্যে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব লোকমান হোসেন মিয়া, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এবিএম খুরশীদ আলমসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।