কপালে টিপ পরা নিয়ে বাজে মন্তব্যের শিকার তেজগাঁও কলেজের থিয়েটার অ্যান্ড মিডিয়া স্ট্যাডিজ বিভাগের শিক্ষিকা লতা সমাদ্দারসহ হয়রানির শিকার সকলের সঙ্গে সংহতি জানিয়েছেন ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসের নারী কর্মকর্তারা। মঙ্গলবার কপালে টিপ পরে সংহতি প্রকাশ করেন তারা।

মঙ্গলবার ইউএস অ্যাম্বাসি ঢাকা-এর ফেসবুক পেজ থেকে এ নিয়ে একটি পোস্ট করা হয়েছে। এতে বলা হয়, ‌‘এ সপ্তাহে টিপ পরার জন্য একজন পুলিশ কর্তৃক এক শিক্ষিকা লাঞ্ছিত হওয়ার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশকারী সকল বাংলাদেশির সাথে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস সম্প্রদায় যোগ দিয়েছে। যেকোনো ধরনের হয়রানি অগ্রহণযোগ্য। যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের সদস্যগণ বাংলাদেশের মানুষের বিভিন্নতা উদযাপনপূর্বক সকল ব্যক্তির প্রতি সম্মানের আহ্বান জানিয়ে উক্ত শিক্ষিকা ও হয়রানির শিকার সকলের সাথে সংহতি জানিয়ে কপালে টিপ পরেছেন।’


প্রসঙ্গত, ড. লতা সমাদ্দার শনিবার সকালে তিনি বাসা থেকে কলেজে যাচ্ছিলেন। তার কপালে পরা ছিল টিপ। রাজধানীর ফার্মগেটে রাস্তায় তাকে টিপ পরা দেখে পুলিশের এক সদস্য বাজে মন্তব্য করেন। প্রতিবাদ করলে ওই শিক্ষিকার ওপর মোটরসাইকেল তুলে দেওয়ারও চেষ্টা করেন পুলিশ সদস্য। 

লতা সমাদ্দারকে হয়রানির এ ঘটনায় সমাজের বিভিন্ন স্তর থেকে প্রতিবাদ শুরু হয়। ইতোমধ্যে ওই পুলিশ সদস্যকে শনাক্ত করা হয়েছে। তার নাম নাজমুল তারেক। তিনি কনস্টেবল হিসেবে পুলিশের প্রটেকশন বিভাগে কর্মরত ছিলেন। তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।