লালমনিরহাটে পুলিশের হেফাজতে রবিউল ইসলাম খান নামে এক যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় ক্ষোভ ও শোক প্রকাশ করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও বিরোধী দলীয় উপনেতা সাংসদ জিএম কাদের। তিনি বলেছেন, ‘তরতাজা এক যুবক অকালে প্রাণ হারালো। এই বিষয়টি সারা দেশের জন্য অশুভ সংকেত। পুলিশ হেফাজতে এ ধরনের প্রাণ হারানো দুঃখজনক।’

শনিবার দুপুরে সদর উপজেলার হারাটী ইউনিয়নের কাজীরচওড়া গ্রামে পুলিশের নির্যাতনে নিহত রবিউল ইসলাম খানের বাড়িতে গেলে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

এ ঘটনায় পুলিশের গঠিত তিন সদস্যের তদন্ত কমিটির কার্যক্রম নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘কমিটির সদস্যগণ অভিযুক্তদের সহকর্মী হওয়ায় এর নিরেপক্ষতা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।’ তিনি বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠনের দাবি করেন। এ ছাড়া নিহতের পরিবারকে প্রতিমাসে পাঁচ হাজার টাকা ও যোগ্যতা অনুযায়ী স্ত্রীকে চাকরির আশ্বাস দেন জিএম কাদের। এ সময় জেলা জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক জাহিদ হোসেন লেমনসহ জাতীয় পার্টির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

গত বৃহস্পতিবার রাতে জুয়াড়ি সন্দেহে রবিউল ইসলাম খানকে আটক করে পুলিশ ভ্যানে থানায় নিয়ে আসার পথে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। পরে তাকে সদর হাসপাতালে আনা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণের পরামর্শ দেয়। রংপুরে নেওয়ার প্রস্থতিকালে জরুরি বিভাগে মারা যায় রবিউল।

রবিউলের স্বজনদের দাবি- রবিউলকে আটকের পর তার ওপর নির্যাতন চালায় পুলিশ। এতেই তার মৃত্যু ঘটে। বৃহস্পতিবার রাত বারটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত রবিউল ইসলাম প্রধান সদর উপজেলার হারাটী ইউনিয়নের কাজীচওড়া গ্রামের দুলাল খানের ছেলে।