রাজধানীর গুলশানের পুলিশ প্লাজার উল্টো পাশে হাতিরঝিল লেক পাড়ে ডিবিসি নিউজের সিনিয়র প্রোডাকশন এক্সিকিউটিভ আব্দুল বারীকে হত্যার ঘটনায় এখনও কাউকে শনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ। হত্যার কারণ নিয়ে স্পষ্ট কোনো ক্লু গোয়েন্দাদের হাতে নেই।


তবে সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা গেছে, ঘটনার রাত ১০টা ১ মিনিটে মহাখালী থেকে বেরিয়ে হাঁটতে হাঁটতে গুলশান-১ হয়ে হাতিরঝিল এলাকায় যান তিনি। মহাখালী থেকে ঘটনাস্থলে যেতে তাঁর ৫০ মিনিটের মতো সময় লাগে। খুব ধীরে ধীরে তিনি হাঁটছিলেন। তবে যে স্পটে তাঁকে হত্যা হয়েছে সেখানে সিসিটিভি নেই। এ কারণে এখনও পরিস্কারভাবে বলা যাচ্ছে না, ঠিক কতজন মিলে তাঁকে হত্যা করেছে। তাঁর মোবাইলের কল রেকর্ড বলছে, খুব বেশি মানুষের সঙ্গে তিনি যোগাযোগ রাখতেন না।

ঢাকা মহানগর পুলিশের গুলশান বিভাগের ডিসি মো. আসাদুজ্জামান বলেন, হত্যা রহস্য উদ্ঘাটন করতে নানামুখী তদন্ত করা হচ্ছে। সিসিটিভির ফুটেজও বিশ্নেষণ করে দেখা হয়েছে।

ডিবির গুলশান বিভাগের ডিসি মশিউর রহমান বলেন, বারী এমন নির্জন পরিবেশে রাতে কেন একাকী গেলেন, এর হিসাব মিলছে না। তাঁর মা-বাবা ও পরিচিতজন বলেছেন, খুব কম কথা বলতেন তিনি। ১০ বার ফোনে কল করলে একবার রিসিভ করতেন। তাঁর মতো একজনকে কেন, কারা টার্গেট করতে পারে এটাই খোঁজা হচ্ছে।

রাজধানীর মহাখালীর নিজ কর্মস্থলের কাছে মাদ্রাসা গলির ১০৯/২ বাসার দ্বিতীয় তলায় একটি মেসে থাকতেন বারী। তাঁর গ্রামের বাড়ি সিরাজগঞ্জ সদরের শিয়ালকোট ইউনিয়নের চি দাসগাঁতী গ্রামে। গতকাল দ্বিতীয় জানাজা শেষে ওই গ্রামেই তাঁকে দাফন করা হয়েছে। বুধবার হাতিরঝিল থেকে তাঁর ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।