রাজধানীতে পৃথক ঘটনায় দুই নারীর মৃত্যু ঘিরে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। এরমধ্যে আজ শুক্রবার উত্তরা ১১ নম্বর সেক্টরের লেকপাড়ে পাওয়া যায় তাসলিমা আক্তারের (২৮) লাশ। অন্যদিকে, বৃহস্পতিবার রাতে শেরেবাংলা নগর এলাকা থেকে মনি বেগমকে (৪০) রক্তাক্ত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।

উত্তরা পশ্চিম থানার ওসি শাহ মো. আকতারুজ্জামান ইলিয়াস সমকালকে বলেন, উত্তরা ১১ নম্বর সেক্টরের ৫/বি নম্বর সড়কের লেকের পাশ থেকে সকাল ১১টার দিকে এক নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়। তাৎক্ষণিকভাবে তার পরিচয় জানা যায়নি। পরে ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যভাণ্ডার থেকে তার নাম-ঠিকানা জানা যায়। মৃত তাসলিমার বাড়ি নরসিংদীর রায়পুরায়। তার সম্পর্কে বিস্তারিত জানার চেষ্টা চলছে। কীভাবে তার মৃত্যু হয় তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে শ্বাসরোধে তাকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পেলে তার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে জানা যাবে।

এদিকে বৃহস্পতিবার রাত রাত সাড়ে ১১টার দিকে শেরেবাংলা নগরের বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র এলাকা থেকে মনি বেগমকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া সিএনজি অটোরিকশার চালক জানান, রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে তাকে উদ্ধার করেন। তাকে প্রথমে নেওয়া হয় শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢামেক হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।

পরে মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে মৃতের ভগ্নিপতি সোহাগ হোসেনের খোঁজ পাওয়া যায়। তিনি হাসপাতালে এসে লাশটি শনাক্ত করেন। অটোরিকশা চালকের বরাত দিয়ে তিনি জানান, সড়কে গাড়ির ধাক্কায় মনি আহত হন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তিনি তার স্বামী নুরুল হুদার সঙ্গে মহাখালী স্টাফ কোয়ার্টার কলোনিতে থাকতেন। সেখানে খেলনা সামগ্রী বিক্রি করতেন। তবে কী কারণে তিনি শেরেবাংলা নগরে গিয়েছিলেন তা জানা যায়নি।

শেরেবাংলা নগর থানার ওসি উৎপল বড়ূয়া জানান, ওই নারীর মৃত্যুর কারণ খতিয়ে দেখছে পুলিশ।