গত শুক্রবার চিত্রনায়কের তালিকায় নাম লেখিয়েছেন বগুড়ার ছেলে আদর আজাদ। তার অভিনীত 'তালাশ' ছবিটি দেশের ৫৩ হলে মুক্তি পেয়েছে। এর মধ্যে সিনেমায় অভিষেক হলো তার। প্রথম ছবিতেই নায়িকা হিসেবে পেয়িছেন শবনম বুবলীকে। প্রথম ছবি হওয়ায় আবেগ ও উচ্ছ্বাসও একটু বেশি কাজ করছে। প্রথম দিনে বৃষ্টি উপেক্ষা করে ঘুরেছেন রাজধানীর হলগুলোতে।  

রাজধানীর হলে হলে ঘুরলেও মন তার পড়েছিলো বগুড়ায়। প্রথম ছবি মুক্তি আর সেটা নিজ এলাকার মানুষদের সঙ্গে দেখা হবে না তা কী হয়? তাই ছবি মুক্তির দ্বিতীয় দিনই  নায়িকা বুবলীকে নিয়ে হেলিকপ্টর করে উড়ে গেলেন নিজ শহর বগুড়ায়। সঙ্গে গেলেন 'তালাশ' এর পরিচালক সৈকত নাসিরসহ 'তালাশ' টিম।

সাধারণ একজন ছেলে হিসেবে যে আদর বগুড়া থেকে ঢাকায় এসেছিলেন সেই আদরকে নায়ক হিসেবে পেয়ে উচ্ছ্বসিত বগুড়াবাসী। হেলিকপ্টার থেকে তাই নামতেই আদরকে বরণ করে নিলেন বগুড়াবাসী। সঙ্গে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানালেন বুবলী, পরিচালক সৈকত নাসিরকেও। 

হেলিকপ্টার থেকে নেমে বগুড়া শহরের একটি পাঁচ তারকা হোটেলে যান তারা। সেখানে বিশ্রাম নিয়ে তালাশ টিম যায় বগুড়ার বিখ্যাত সিনেমা হল বধুবনে।  বুবলী-আদর এই হলে আসছেন ঘোষণাটি আগেই দেওয়া হয়েছিলো। তাই কনায় কানায় ভর্তি ছিলো দর্শক। সেখানে তালাশ টিম হাজির হতেই হই হুল্লোড় পড়ে যায় দর্শকদের মাঝে। 

সে সময় বগুড়ার আঞ্চলিক ভাষায় সবাইকে সম্ভাষণ করেন বুবলী। বলেন, ‘কেঙ্কা (কেমন) আছেন আপনারা? মধুবন সিনেপ্লেক্স খুব ভালো লেগেছে। এত সুন্দর ডেকোরেটেড। সব মিলিয়ে প্রথমবার বগুড়ায় এসে খুবই মুগ্ধ।’


সিনেমাটি নিয়ে মধুবন সিনেপ্লেক্সে সাংবাদিক ও উপস্থিত দর্শকের সামনে সৈকত নাসির বলেন, ‘তালাশ সাইকো থ্রিলার গল্পের ছবি।  সিনেমাটি এমনভাবে সাজানো হয়েছে যে গল্পের লাস্ট পর্যন্ত আপনাকে নিয়ে যাবে। বোরিং করবে না কোথাও।

নির্মাতা আরও বলেন,  'সিনেমায় কাজ করেছেন আপনাদের বগুড়ার ছেলে আদর আজাদ। আপনারা অবশ্যই দেখবেন। আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস সিনেমাটি ভালো লাগবে।’

বগুড়াবাসীর উদ্দেশ্যে আদর আজাদ বলেন, আলহামদুলিল্লাহ সবাইকে নিয়ে সুস্থভাবে বগুড়ায় আসতে পেরে। প্রথমে ধন্যবাদ দেই পরিচালক সৈকত ভাইকে; আমার জন্য এত শ্রম দেয়ার জন্য। আপনারা সবাই এই সিনেমাটি দেখবেন। সিনেমাটি প্রমোট করুন। বগুড়া থেকে আরও সাড়া চাই।’