বিশ্ব শরণার্থী দিবস উপলক্ষে 'আঁরা রোহিঙ্গা' (আমরা রোহিঙ্গা) শিরোনামে তিন সপ্তাহব্যাপী আলোকচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর ও মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর। সোমবার মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর মিলনায়তনে এই প্রদর্শনী উদ্বোধন করা হয়। আগামী ৭ জুলাই পর্যন্ত সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা প্রদর্শনী দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি মফিদুল হক, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মো. হাসান সারওয়ার, ইউএনএইচসিআরের ডেপুটি রিপ্রেজেনটেটিভ সুজিন রি, জাদুঘরের কিউরেটর আমেনা খাতুন প্রমুখ।

১০ জন রোহিঙ্গা আলোকচিত্রীর ক্যামেরায় এ প্রদর্শনীটি কক্সবাজারে অবস্থিত বিশ্বের বৃহত্তম শরণার্থী শিবিরের অভ্যন্তরীণ জীবন ও জীবিকা কাছ থেকে দেখার সুযোগ সৃষ্টি করেছে। ডেভিড পালাজন ও আমেনা খাতুনের কিউরেশনে এ প্রদর্শনীর ৫০টি আলোকচিত্র রোহিঙ্গা শরণার্থীদের স্মৃতি, আশা, স্বপ্ন, বিশ্বাস, কর্মকুশলতা, সৌকর্য, দুঃখ, গ্লানি এবং ভালোবাসাকে তুলে ধরেছে। এর পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের আর্কাইভ থেকে ১১টি আলোকচিত্র প্রদর্শনীতে রাখা হয়েছে। যার মধ্য দিয়ে মুক্তিযুদ্ধকালীন বাঙালি শরণার্থীদের জীবন ও জীবনের গল্প উঠে এসেছে।

এদিকে শরণার্থী দিবস উপলক্ষে সোমবার বিকেল ৫টায় মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর মিলনায়তনে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে বক্তব্য দেন মুক্তিযুদ্ধে চিকিৎসাযুদ্ধের ইতিহাসবিষয়ক গবেষক খায়রুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে সাংবাদিক শিশির মোড়ল শরণার্থী শিবিরে তাঁর চিকিৎসায় ব্যবহূত স্যালাইনের বোতল মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে প্রদান করেন। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধকালীন শরণার্থীদের নিয়ে বিশেষ অডিও-ভিজ্যুয়াল প্রদর্শিত হয়।