ভারি বর্ষণ ও ভারতের গজলডোবা ব্যারেজ থেকে ধেয়ে আসা পানিতে লালমনিরহাটের নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। এতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন অর্ধ লক্ষাধিক মানুষ। 

এদিকে তিস্তা ও ধরলার পানি বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। গত এক সপ্তাহে  তিস্তা ও ধরলা নদীর পানি বাড়া ও কমার মধ্যে ছিল। রোববার থেকে এই দুই নদী ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করছে। আর এতে করে জেলার পাটগ্রাম উপজেলার আঙ্গরপোতা, দহগ্রাম, হাতীবান্ধা উপজেলার গড্ডিমারী, পাটিকাপাড়া, কালীগঞ্জের ভোটমারী, কাকিনা, আদিতমারী উপজেলার মহিষখোচা, পলাশী, সদর উপজেলার মোগলহাট, কুলাঘাট, খুনিয়াগাছ, রাজপুর ও গোকুন্ডা  ইউনিয়নের অর্ধ লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। 

মঙ্গলবার জেলার হাতীবান্ধা উপজেলার ব্যারেজ পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমা ২৪ সেন্টি মিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়।  অন্যদিকে শিমুলবাড়ি পয়েন্টে ধরলার পানি উঠা নামা করছে।  

সদর উপজেলার তিস্তা তীরবর্তী কালমাটি এলাকার পানিবন্দি আরিফা বেগম (৩৫) ও হাসেন আলী (৬৫) জানান, দুদিন ধরে ঘরে হাঁটু পরিমাণ পানি। কখনও বাড়ছে আবার কখনও কমছে। সরকারি সাহায্য তারা পাননি।

  লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক আবু জাফর কালমাটি এলাকায় বন্যার্তদের সাহায্য দিতে এসে সাংবাদিকদের বলেন,  জেলার পাঁচটি উপজেলার বন্যাকবলিত মানুষের জন্য ২৮৩ মেট্রিক টন চাল ও নগদ ১২ লাখ ৭০ হাজার টাকার শিশু ও গো খাদ্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। নতুন করে বন্যার্তদের তালিকা প্রণয়ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট ইউএনওদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।