বাংলাদেশ ও রাশিয়ার বন্ধুত্ব দীর্ঘদিনের। আগামী দিনে দু'দেশের এই সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর ধানমন্ডির নিজস্ব কার্যালয়ে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ল অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স (বিলিয়া) আয়োজিত 'বাংলাদেশ-রাশিয়া সম্পর্ক :অপরিহার্যতা, সম্ভাবনা এবং ঝুঁকি' শীর্ষক আলোচনায় এসব কথা বলেন বক্তারা।
বিলিয়ার চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার এম আমীর-উল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্র সচিব (পশ্চিম) সাব্বির আহমেদ চৌধুরী, রাশিয়া দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অব মিশন একাতেরিনা শ্নোভা, বাংলাদেশ এন্টারপ্রাইজ ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক মোহাম্মাদ হুমায়ুন কবীর, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক (গবেষণা) নওরীন আহসান প্রমুখ বক্তব্য দেন।
অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক সৈয়দা রোজানা রশীদ। স্বাগত বক্তব্য দেন বিলিয়ার পরিচালক অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান।
সাব্বির আহমেদ চৌধুরী বলেন, ইউক্রেন ইস্যুতে বাংলাদেশ যে অবস্থান নিয়েছে, সেটা সবার জানা। আমাদের পররাষ্ট্রনীতি 'সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে শত্রুতা নয়'। সে অনুযায়ী এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়। আগামী দিনে রাশিয়া-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব আরও সুদৃঢ় হবে বলে প্রত্যাশা করেন।
একাতেরিনা শ্নোভা বলেন, গত বছর বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যে তিন বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য হয়েছে। তবে ইউক্রেন পরিস্থিতিতে সাপ্লাই চেইন ও অর্থ স্থানান্তরে নতুন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
অধ্যাপক সৈয়দা রোজানা রশীদ বলেন, স্বাধীনতার পর থেকেই রাশিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক খুব উষ্ণ ছিল। আশির দশক থেকে বাংলাদেশ চীন ও যুক্তরাষ্ট্র্রের দিকে ঝুঁকে পড়ে। এখন দু'দেশ আবার উষ্ণ সম্পর্ক উপভোগ করছে। ইউক্রেন ইস্যুতে বাংলাদেশ নীরবে রাশিয়াকে সমর্থন দিয়ে আসছে।