কোরবানি ঈদ সামনে রেখে তালিকাভুক্ত ছিনতাইকারী, অজ্ঞান ও মলমপার্টির সদস্যদের গ্রেপ্তারে বিশেষ অভিযানের নির্দেশ পেয়েছেন মাঠ পুলিশের কর্মকর্তারা। পশুর হাটগুলোতে ক্রেতা-বিক্রেতাদের নিরাপত্তা থেকে শুরু করে জাল মুদ্রার কারবারিদের ঠেকাতেও সতর্ক হওয়ার নির্দেশনা এসেছে থানা পুলিশের কাছে। ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম বিশেষ সভা ডেকে রাজধানীর সব পুলিশ ইউনিটের প্রধানদের এমন নির্দেশনা দেন।

বৃহস্পতিবার ডিএমপি সদর দপ্তরে হওয়া ওই সভায় ডিএমপির বিভিন্ন ক্রাইম বিভাগ, ডিবিসহ বিভিন্ন বিশেষায়িত ইউনিট, ট্রাফিক বিভাগের কর্মকর্তারা ছাড়াও ৫০টি থানার অফিসার ইনচার্জ অংশ নেন। আসন্ন ঈদ ও ছুটির সময়ে রাজধানীর নিরাপত্তা কৌশল ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিয়েও সভায় আলোচনা হয়।
উপস্থিত পুলিশ কর্মকর্তাদের সূত্র জানায়, ঈদুল আজহার আগে পশুর হাটকেন্দ্রিক নগদ টাকা বহন বেড়ে যায়। ওই সময়ে ছিনতাইয়ের পাশাপাশি অজ্ঞান পার্টি ও মলমপার্টি চক্রের অপরাধীদের অপতৎপরতাও বেড়ে যায়। সভায় পুলিশ কর্মকর্তারা এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। এ সময় পুলিশ কমিশনার সবার উদ্দেশে বলেন, ছিনতাইকারীদের যে তালিকা রয়েছে, তা ধরে অভিযান চালাতে হবে। এখন থেকেই তা শুরু করতে হবে।

পুলিশ কমিশনার বলেন, পশুহাটের বর্জ্য যাতে তুরাগ বা বুড়িগঙ্গায় না ফেলা হয়, সেদিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে। বিভিন্ন জেলা থেকে আসা পশুবাহী ট্রাকগুলোতে ব্যানার রাখার পাশাপাশি হাটে হাসিলের তালিকা রাখতে হবে। পশুর ট্রাক থামিয়ে বা হাটকেন্দ্রিক কোনো চাঁদাবাজি সহ্য করা হবে না বলেও সতর্ক করেন তিনি।