উচ্চতায় ৩ ফুটেরও বেশি। লম্বায় অন্তত ৫ ফুট। কানটি লম্বায় এক ফুটের কম না। গায়ের রং কোথাও ধূসর, কোথাও সাদাটে। কোথাও কালো। নাম তার রাজাবাবু। গাবতলী পশুর হাটের ক্রেতা-সাধারণের কাছে এই খাসি ছাগলটাই এখন প্রধান আকর্ষণ। আর হবেই না না কেন, ওজন যে ১ কুইন্টালের চেয়ে পাঁচ-দশ কেজি বেশি ছাড়া কম নয়। আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে গাবতলী হাটে দেখার মতো এই খাসিটি তুলেছেন রাজবাড়ীর পাংশা থানার নিভাকৃষ্ণপুর গ্রামের পশু ব্যবসায়ী আব্দুল জব্বার।

হাটের অন্য পশু বিক্রেতারাও ছাগলটির দিকে একবার না চেয়ে থাকতে পারছেন না। অবস্থা এমন, যে কেউ হাটে গেলে সবচেয়ে বড় খাসিটির কথা জিজ্ঞেস করলে হাটের টোকাইও আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেবে।

৩০ বছর ধরে পশু ব্যবসা করা আব্দুল জব্বারের সাথে কথা বলে জানা যায়, ছাগলটি তিনি কিনেছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের রানীরহাট বাজার থেকে। এটি ভারতের পাটনাই জাতের। এই ছাগলগুলো লম্বা ও উচ্চতায় বেশি হয়ে থাকে। খাবার হিসেবে পছন্দ গম, কাঁঠালের পাতা, ভূসি, ছোলা ও ঘাস। এই জাতের আরো কয়েকটি খাসি ছাগল তিনি হাটে তুলেছেন। সেগুলো কুষ্টিয়া, মেহেরপুর এলাকা থেকে সংগ্রহ করেছেন। সেগুলো রাজাবাবুর মতো অতটা বড় না।

ছাগল হলেও আদতে রাজাবাবুর দেহ মোটামুটি গরুর আকৃতির। নাকটা বাঁকানো। সিং দুটো প্যাঁচানো। আব্দুল জব্বার দাম চাচ্ছেন ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা। একজন ৭০ হাজার টাকা দাম বলে গেছেন।

আব্দুল জব্বার বলেন, প্রায় একশ কেজির মতো মাংস হবে। ছোটখাটো গরুর চেয়ে এটা কোনো অংশেই কম নয়। আর এ জাতের খাসির মাংসের স্বাদও অসাধারণ। ঈদের এখনো কয়েকদিন বাকি আছে। এখনো হাতে ক্রেতা ওঠা শুরু করেনি। আগামী শুক্রবার হবে হাটের মূল বেচাবিক্রি। ওইদিন পর্যন্ত তিনি দেখতে চান রাজাবাবুর কত দাম ওঠে।