রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন বাঙালি জাতির আলোর দিশারি, স্বপ্নের ফেরিওয়ালা আর স্বাধীনতার মহান স্থপতি। পরাধীন বাঙালির জীবনে মুক্তি এনে তিনি হাতে তুলে দিয়েছেন স্বাধীনতার লাল-সবুজের পতাকা। বজ্রকণ্ঠের সেই নেতা বঙ্গবন্ধুকে তরুণদের জ্ঞানে-মননে-চেতনায় জাগিয়ে তুলতে হবে।

বঙ্গবন্ধুর ৪৭তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে শুক্রবার মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর আয়োজিত 'তরুণদের দৃষ্টিতে বঙ্গবন্ধু' শীর্ষক আলোচনা সভা ও চলচ্চিত্র প্রদর্শনীতে বক্তারা এসব কথা বলেন।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ের মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন প্রতিষ্ঠানটির সদস্য সচিব সারা যাকের এবং তরুণ আলোকচিত্রী ও প্রামাণ্যচিত্র নির্মাতা সাইফুল হক অমি।

সারা যাকের বলেন, বাংলাদেশে প্রজন্মের পর প্রজন্ম বড় হয়েছে, যারা জানত না বঙ্গবন্ধুকে। জানত না তিনি বাংলাদেশের জন্য কী করেছেন। এখন তরুণদের কাছে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও দেশপ্রেম তুলে ধরার চেষ্টা করা হচ্ছে।

সাইফুল হক অমি বলেন, বঙ্গবন্ধুর নাম মুছে ফেলার চেষ্টা ইতিহাসের নিকৃষ্টতম কাজ ছিল। নতুন প্রজন্মের কাছে ইতিহাসের মহানায়ককে তুলে ধরা প্রয়োজন। বঙ্গবন্ধুকে ও সঠিক ইতিহাস জানার জন্য পড়াশোনা করতে হবে। বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে সৃষ্টিশীল কাজ করার জন্য তরুণদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

আলোচনা শেষে প্রদর্শিত হয়েছে তরুণ নির্মাতা জান্নাতুল ফেরদৌস আইভী নির্মিত 'বঙ্গবন্ধুর পররাষ্ট্রনীতি ও কূটনৈতিক অবদান', আরেফিন আহমেদ নির্মিত '১৪ বছরের জেল জীবন' এবং সোহেল মোহাম্মদ রানা নির্মিত 'মুজিব আমার পিতা' নামের স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র।

প্রদর্শনীর সময় পুরো মিলনায়তনজুড়ে ছিল নিস্তব্ধতা। অনেক শিশুও প্রদর্শনীতে ছিল। খুব সহজ ভাষায় তথ্য উপস্থাপনের কারণে খুদে দর্শকরাও বুঝতে পেরেছে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রগুলো।