রাজধানীর হাতিরঝিল থানা হেফাজতে মারা যাওয়া সুমন শেখের (২৫) লাশ দাফন করা হয়েছে। সোমবার (২২ আগস্ট) সন্ধ্যায় পুলিশের পাহারায় তার লাশ দাফন করা হয়। এর আগে বাবা পেয়ার আলীর কাছে সুমনের লাশ হস্তান্তর করে পুলিশ।

পুলিশ সূত্র জানা যায়, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে ছিল সুমনের লাশ। পুলিশের পাহারায় তার মরদেহ রামপুরার বাসায় নেওয়া হয়। সেখান জানাজা শেষে লাশ আজিমপুর কবরস্থানে দাফন করা হয়।

সুমনের স্ত্রী জান্নাত আক্তারের ভাই মোশারফ সাইফুল বলেন, ‘জান্নাতকে নিয়ে মামলা করতে আদালতে গিয়েছিলাম। কিন্তু মামলা করতে পারিনি। আমরা যখন মামলার কাজে ব্যস্ত ছিলাম, সেই সুযোগে পুলিশ আমাদের না জানিয়ে সুমনের বাবা ও ভাইকে ডেকে নিয়ে লাশ হস্তান্তর করে।’

তবে দাফনের আগে জান্নাত ও তাঁর ভাই আজিমপুর কবরস্থানে যান। তাঁদের না জানিয়ে মরদেহ হস্তান্তরের বিরোধিতা করে তাঁরা দাফনে বাধা দেন। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে লাশ দাফন হয়।

হাতিরঝিল থানার ওসি আবদুল রশিদ বলেন, লাশ বুঝে নেওয়ার জন্য তাঁরা সুমনের স্ত্রীর সঙ্গে নানাভাবে যোগাযোগের চেষ্টা করেছেন; কিন্তু তাঁরা সাড়া দেননি।

গত শনিবার দুপুরে থানাহাজত থেকে সুমনের লাশ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ বলছে, সুমন আত্মহত্যা করেছেন। পরিবারের দাবি, তাঁকে হত্যা করা হয়েছে। সুমন একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের বিপণন বিভাগে কাজ করতেন। ওই অফিস থেকে ৫৩ লাখ টাকা চুরির মামলায় গত শুক্রবার রাতে পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে।