স্থাপত্য শিল্পে বিশ্বের অন্যতম পুরস্কার আগা খান স্থাপত্য পুরস্কার ২০২২-এর ছয়টি বিজয়ীর মধ্যে দুটি পেয়েছে বাংলাদেশ। খন্দকার হাসিবুল কবির এবং সুহেলি ফারজানার ঝিনাইদহের আরবান রিভার স্পেসেস প্রকল্প এবং রিজভি হাসান, খাজা ফাতমি ও সাদ বেন মোস্তফার 'রোহিঙ্গা রিফিউজি রেসপন্স প্রোগ্রামে'র কমিউনিটি স্পেসের নকশা ওই পুরস্কার জিতেছে।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশে আগা খান ডেভেলপমেন্ট নেটওয়ার্কের (একেডিএন) কূটনৈতিক দপ্তর সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়। এতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশের দুটি ছাড়াও ইন্দোনেশিয়া, ইরান, লেবানন ও সেনেগালের একটি করে মোট ছয়টি প্রকল্পের মধ্যে আগা খান স্থাপত্য পুরস্কারের ১০ লাখ ডলার ভাগ করে দেওয়া হবে।
একেডিএন জানায়, আরবান রিভার স্পেসেস প্রকল্পটি স্থানীয় নির্মাণ কৌশল ও সহজলভ্য উপাদান ব্যবহার করে গড়ে তোলা হয়, যা স্থানীয় লোকজনের কাছে অত্যন্ত আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে। নদীর তীরবর্তী পরিত্যক্ত ময়লার ভাগাড়কে একটি আকর্ষণীয় বহুমুখী স্থানে পরিণত করা হয়েছে। বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের বিভিন্ন জরুরি চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে দক্ষতা ও সংবেদনশীলতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে রোহিঙ্গা রিফিউজি রেসপন্স প্রোগ্রামের ছয়টি অস্থায়ী কমিউনিটি স্পেস। যথাযথ কর্মপরিকল্পনা, জোরালো অংশীদারিত্ব ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে স্পেসগুলোর নকশা প্রণয়ন করা হয়েছে।
১৯৭৭ সাল থেকে চালু হওয়া এই পুরস্কার আগেও বাংলাদেশের কয়েকটি প্রকল্প পেয়েছে। ২০১৯ সালে দক্ষিণ কানারচর-এ আর্কেডিয়া এডুকেশান প্রকল্প (স্থপতি সাইফ উল হকের নকশা) এই পুরস্কার জিতেছিল। ২০১৬ সালের পুরস্কার বিজয়ীদের মধ্যে ছিল স্থপতি মেরিনা তাবাসসুমের নকশা করা ঢাকার বাইত-উর রউফ মসজিদ এবং কাশেফ চৌধুরীর করা গাইবান্ধার ফ্রেন্ডশিপ সেন্টার। ১৯৮৯ সালে এই পুরস্কার জিতেছিল গ্রামীণ ব্যাংক হাউসিং প্রোগ্রাম এবং ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি বিল্ডিং। ২০০৭ সালে রুদ্রপুরের একটি স্কুল এই পুরস্কার পায়।

বিষয় : স্থাপত্য শিল্প আগা খান স্থাপত্য পুরস্কার

মন্তব্য করুন