রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে বাসচাপায় ওয়ার্ড যুবলীগের নেতা মো. ফারুক (৩৬) নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার দুটি বাস পাল্লা দিয়ে চালানোর সময় একটি সড়ক বিভাজকে উঠে গেলে সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা ফারুক রাস্তায় পড়ে যান। তখন আরেকটি বাস তাকে চাপা দিয়ে চলে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। তিনি স্থানীয় ৬৫ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সহসভাপতি ছিলেন। এ দিকে রাজধানীর শ্যামপুরে লেগুনার ধাক্কায় শাহিন (৩৮) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন।

যাত্রাবাড়ী থানার এসআই মো. আছাদুজ্জামান জানান, গতকাল দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রাস্তা পার হওয়ার জন্য দাঁড়িয়েছিলেন ফারুক। তখন এ দুর্ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে তার লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়। তাকে চাপা দেওয়া বাসটি নিয়ে চালক পালিয়ে গেছে। সেটি শনাক্তের চেষ্টা চলছে। আর তাঁকে ধাক্কা দেওয়া তিশা পরিবহনের বাসটি জব্দ করা হয়েছে। তবে এটির চালক ধরা পড়েনি।
নিহতের ভাতিজা ইসমাইল হোসেন জানান, দুই ছেলে ও স্ত্রী সাথী আক্তারকে নিয়ে রায়েরবাগের ইসলামনগর এলাকায় থাকতেন ফারুক। তিনি নির্মাণসামগ্রী সরবরাহের কাজ করতেন। গতকাল দুপুরে বাসা থেকে বেরিয়ে তিনি মতিঝিলে যাচ্ছিলেন। যাত্রাবাড়ীর হাশেম রোডের মাথায় রাস্তা পার হওয়ার জন্য সড়ক বিভাজকে দাঁড়ান। তখন পাল্লা দিয়ে চালাতে গিয়ে তিশা এপক্লুসিভ নামে একটি বাস বিভাজকের ওপর উঠে যায়। বাসের ধাক্কায় তিনি বিপরীত পাশের রাস্তায় পড়ে যান। তখন অন্য বাসটি তাঁকে চাপা দেয়। নিহতের গ্রামের বাড়ি লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলায়। তাঁর বাবার নাম মোহাম্মদ উল্লাহ মাস্টার।
এদিকে রাজধানীর শ্যামপুরে লেগুনার ধাক্কায় শাহিন (৩৮) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। গতকাল রাত ৯টার দিকে শ্যামপুরের আইজি গেট এলাকার লালমোহন পোদ্দার লেনে এই দুর্ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তিনি পেশায় ইলেকট্রিক মিস্ত্রি ছিলেন।
শাহিনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া তাঁর সহকর্মী সানোয়ার হোসেন জানান, মৃতের গ্রামের বাড়ি গাইবান্ধা সদর উপজেলায়। তিনি শ্যামপুরের ফরিদাবাদ এলাকায় থাকতেন। মিলব্যারাক এলাকার বিসমিল্লাহ ডেকোরেটরে ইলেকট্রিক মিস্ত্রি হিসেবে কাজ করতেন তিনি।