রাজধানীর মিরপুরে জমি দখল কেন্দ্র করে কৃষক লীগ নেতা মাকসুদুলের ওপর হামলার ঘটনায় এখনও কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।

অভিযোগ উঠেছে, হামলাকারীরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও অভিযানে ঢিলেঢালা ভাব। উল্টো হামলাকার শিকার মাকসুদুলকে শীর্ষ সন্ত্রাসীদের নাম ভাঙিয়ে হুমকি দেওয়া হচ্ছে।

কৃষক লীগ নেতা মাকসুদুল ইসলামের অভিযোগ, গত বুধবার গভীর রাতে কালশীর স্টিল ব্রিজ এলাকায বিএনপি নেতা বুলবুল মল্লিক এবং আওয়ামী লীগ নেতা খলিলুর রহমান খলিলের নেতৃত্বে তার ওপর হামলা হয়। এ ঘটনায় শুক্রবার পল্লবী থানায় পাল্টাপাল্টি মামলা হয়।

হামলায় আহত মাকসুদুল ইসলাম ঢাকা মহানগর উত্তর কৃষক লীগের সভাপতি ও কৃষক লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি। আর বুলবুল পল্লবী থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং খলিলুর রহমান ৫ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়- কৃষক লীগ নেতা মাকসুদুলের কালশীর বাউনিয়ায় ৫১ শতাংশ জমি আছে। তিনি সেখানে টিনশেড ঘর তৈরি করেছেন। সাদ্দাম নামে একজন নিরাপত্তারক্ষী ওই ঘর দেখভাল করেন। সম্প্রতি খলিলসহ অন্যরা আসামিরা মাকসুদুলের কাছে অর্ধ কোটি টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা না দেওয়া হলে জমি দখল করে নেওয়ার হুমকি দেন।

এ ঘটনায় থানায় থানার জিডি করেন মাকসুদুল। ঘটনার দিন রাতে খলিল ও তার সহযোগীরা ওই জমি দখলে নেওয়ার চেষ্টা করেন। বিষয়টি জানতে পেরে ঘটনাস্থলে হাজির হলে হামলার শিকার হন মাকসুদুল। এসময় তাকে রড দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করা হয়।

এ ব্যাপারে মাকসুদুল সমকালকে বলেন, হত্যার উদ্দেশে আমার ওপর হামলা করা হয়েছে। ভাগ্যক্রমে আমি বেঁচে যাই। অনেক দিন ধরেই খলিলের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, জমি দখলসহ বিস্তর অভিযোগ রয়েছে। প্রশাসন শক্ত ভূমিকা রাখলে এসব অপরাধ করার সাহস তিনি পেতেন না।

পল্লবী থানার ওসি পারভেজ ইসলাম সমকালকে বলেন, জমিজমার বিরোধকে কেন্দ্র করে পাল্টাপাল্টি মামলা হয়েছে। এখনও এই মামলায় কোনো গ্রেপ্তার নেই। জড়িতদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।