পাওনা টাকা ফেরত চাওয়ায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে সীমা বেগম নামের এক গৃহবধূকে নির্যাতনের পর শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন জ্বালিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বর্তমানে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসা নিচ্ছেন অগ্নিদগ্ধ ওই গৃহবধূ। তার শরীরের ৮০ ভাগ পুড়ে গেছে বলে জানিয়েছে কর্তব্যরত চিকিৎসক।

অগ্নিদগ্ধ সীমার স্বজনদের অভিযোগ, তিন বছর আগে চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলের মুরাদপুর গ্রামের তমিজ উদ্দিন চাকরি দেওয়ার নামে ৪ লাখ টাকা নেয় সীমার কাছ থেকে। চাকরি না হওয়ায় পাওনা টাকা চাওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে তমিজ।

জানা যায়, বুধবার সকালে টাকা ফেরত দেওয়ার কথা বলে নাচোল বাজার থেকে মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে গিয়ে নির্যাতনের পর গায়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয় তমিজ উদ্দিন ও তার ৫ সহযোগী। এসময় এক ভ্যানচালক চিৎকার শুনে সীমাকে উদ্ধার করে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর হাসপাতালে নেয়। পরে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

গৃহবধূর শাশুড়ি সেলিনা আক্তার বলেন, পুত্রবধূ চাকরির আশায় টাকা দিয়েছিলেন তমিজ উদ্দিনকে। তিনি চাকরি-টাকা কিছুই দিচ্ছিলেন না। টাকা ফেরত চাওয়ায় পুত্রবধূকে আগুনে পুড়িয়ে মারতে চেয়েছিল। ডাক্তার বলেছে, সীমার ৮০ শতাংশ পুড়ে গেছে। সীমা বেগম দুই সন্তানের জননী।

নাচোর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মিন্টু রহমান বলেন, অগ্নিদগ্ধ নারীর খালু সাহাবুল ইসলাম বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার রাতে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। আসামিদের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে৷