সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নওগাঁর অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ হাসান মাহমুদুল ইসলামের ধর্মীয় বিদ্বেষমূলক সাম্প্রদায়িক বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি। পাশাপাশি প্রধান বিচারপতি ও আইনমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে ঘটনা তদন্ত করে অভিযুক্ত বিচারকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণেরও দাবি জানানো হয়েছে।

আজ বুধবার সংগঠনের এক বিবৃতিতে দাবি জানানো হয়। বিবৃতিতে বলা হয় ‘‘ফেসবুকে প্রচারিত এক খবরে আমরা মারাত্মকভাবে উদ্বিগ্ন। নওগাঁ জেলার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ হাসান মাহমুদুল ইসলাম তার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে একটি পোস্টে ক্রিকেট টুর্নামেন্টে ভারতের পরাজয়ের পর প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে লিখেছেন ‘খুব শান্তি পেলাম, মালাউনরা হারলে আনন্দ পাই।’ খবরটি দেশব্যাপী বহুলভাবে প্রচারিত হওয়ার পরও অভিযুক্ত বিচারক বা তার সেরেস্তা থেকে কোনো প্রতিবাদ না আসায় এবং পুলিশে অভিযোগ না করায় জনমনে সন্দেহ ঘনীভূত হচ্ছে।’’

বিবৃতিতে সাক্ষর করেন সাবেক বিচারপতি শামসুল হুদা ও শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ, অধ্যাপক অনুপম সেন, নাট্যজন রামেন্দু মজুমদার, সমাজকর্মী মালেকা খান, শিল্পী হাশেম খান, শিল্পী রফিকুননবী, অধ্যাপিকা পান্না কায়সার, অধ্যাপিকা মাহফুজা খানম, জননেতা ঊষাতন তালুকদার, কথাশিল্পী সেলিনা হোসেন, চলচ্চিত্রনির্মাতা নাসির উদ্দীন ইউসুফ, অধ্যাপক ডা. কাজী কামরুজ্জামান, ক্যাপ্টেন (অব.) আলমগীর সাত্তার বীরপ্রতীক, ক্যাপ্টেন (অব.) সাহাবউদ্দিন আহমেদ বীরউত্তম, মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আবদুর রশীদ (অব.), অধ্যাপক ডা. আমজাদ হোসেন, ড. নূরন নবী, লেখক সাংবাদিক শাহরিয়ার কবির, অধ্যাপক মুনতাসীর মামুন, শহীদজায়া শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী, শহীদজায়া সালমা হক, কলামিস্ট সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ, শিক্ষাবিদ মমতাজ লতিফ, অধ্যাপক শিল্পী আবুল বারক আলভী, সমাজকর্মী কাজী মুকুল, কথাশিল্পী অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবাল, অধ্যাপক আয়েশ উদ্দিন, অধ্যাপক মেজবাহ কামাল, ডা. শেখ বাহারুল আলম, ড. মেঘনা গুহঠাকুরতা, ডা. ইকবাল কবীর, সমাজকর্মী সুব্রত চক্রবর্ত্তী, ভূতত্ত্ববিদ মকবুল-ই এলাহী চৌধুরী প্রমুখ।