ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে খেলতে নেমে মাঠে জাতীয় সঙ্গীত গাননি ইরানের ফুটবলাররা। তাদেরকে সমর্থন করেছেন গ্যালারিতে থাকা ফুটবল ভক্তরাও। কিন্তু দ্বিতীয় ম্যাচে জাতীয় সঙ্গীত গাইতে দেখা গেল তাদের। এর পরেই প্রশ্ন উঠেছে, সে দেশের সরকারের চাপেই কি মাথা নোয়ালেন ফুটবলাররা?

অনেকেই মনে করেছিলেন, দ্বিতীয় ম্যাচেও ইরানের ফুটবলাররা তাদের প্রতিবাদী মনোভাব বজায় রাখবে। ফের মাহশা আমিনির হত্যা এবং দেশে হিজাব বিরোধী আন্দোলনের প্রতিবাদে শামিল হবেন। কিন্তু স্টেডিয়ামে জাতীয় সঙ্গীত বেজে ওঠার সময় প্রত্যেককেই ঠোঁট নাড়াতে দেখা যায়।

প্রথম ম্যাচে ফুটবলারদের প্রতিবাদ দেখেই ইরান সরকার পাল্টা হুঁশিয়ারি দেয়। সে দেশের সরকারের একাধিক মন্ত্রী জানিয়ে দেন, পরের ম্যাচে একই জিনিস দেখা গেলে দেশে ফেরার পর কড়া শাস্তির মুখে পড়বেন ফুটবলাররা। এমনকি, গ্রেফতারও করা হতে পারে। 

ইতোমধ্যেই সরকারের বিরুদ্ধে মুখ খুলে গ্রেফতার হয়েছেন ইরানের সাবেক ফুটবলার। এখনকার জাতীয় দলের ফুটবলারদেরও একই হাল হতে পারে। মনে করা হচ্ছে, শাস্তির ভয়েই এই ম্যাচে জাতীয় সঙ্গীতে গলা মিলিয়েছেন ফুটবলাররা।

তবে এক ম্যাচ পরেই ফুটবলাররা ভোল পাল্টানোয় বেজায় চটেছেন ইরানি দর্শক-সমর্থকরা। ইরানের খেলোয়াড়রা মাঠে যখন জাতীয় সঙ্গীত গাইছিলেন, নারী অধিকারের পক্ষে গ্যালারিতে গলা ফাটাচ্ছিলেন সমর্থক দল। প্রতিবাদ থেকে সরে আসায় কার্লোস কুইরোজের শিষ্যদের বাজে ভাষায় আক্রমণও করেছেন তারা।