জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক কাউন্সিল ইরানে সরকারবিরোধী আন্দোলনে প্রাণঘাতী দমন-পীড়নের ঘটনা অনুসন্ধানের জন্য একটি তথ্যানুসন্ধান মিশন গঠনের পক্ষে ভোট দিয়েছে। পশ্চিমা কূটনীতিকরা বলছেন, স্বাধীন এই তদন্তের মাধ্যমে মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করা হবে এবং দেশটির নারীদের সমর্থন করে শক্ত বার্তা দেওয়া হবে। খবর বিবিসির।

ইরান এ ধরনের মিশনকে আগ্রাসী রাজনৈতিক তৎপরতা হিসেবে বর্ণনা করেছে। জেনেভায় মানবাধিকার কাউন্সিলের উদ্বোধনী অধিবেশনে জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থার প্রধান ভল্ক্কার টার্ক সংকটের জন্য সতর্ক করেছেন।
তিনি বলেন, গত ৯ সপ্তাহে প্রায় ১৪ হাজার মানুষকে আটক করা হয়েছে এবং ৩০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছে, যা সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য। পুলিশি হেফাজতে মাহসা আমিনি মারা যাওয়ার প্রতিবাদে নারীদের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা আন্দোলন ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।
ইরানের এসব ঘটনা অনুসন্ধানে যে তথ্যানুসন্ধান মিশন গঠনের জন্য ভোট হয়েছে, তার পক্ষে ২৫টি দেশ ভোট দিলেও ১৬টি দেশ ভোটদানে বিরত ছিল। ছয়টি দেশ প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দিয়েছে। তবে শেষ মুহূর্তে চীনের পক্ষ থেকে একটি সংশোধনী প্রস্তাব এলেও সেটি গৃহীত হয়নি।