রাজধানীর দক্ষিণ বনশ্রী এলাকায় এক গৃহবধূ গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। গৃহবধূ কবিতা আক্তারের (২০) মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গৃহবধূর স্বামীকে হাসপাতাল থেকে আটক করেছে পুলিশ। কবিতা আক্তার কিশোরগঞ্জ জেলার বাজিতপুরের সিরাজুল ইসলামের মেয়ে।

কবিতার স্বামী মো. সোহাগ মিয়া জানান, ৬ মাস আগে তাদের বিয়ে হয়। বিয়ের পর তারা দক্ষিণ বনশ্রীর মেরাদিয়া বাজার এলাকার একটি পাঁচতলা বাড়ির নিচ তলায় বসবাস শুরু করেন। ওই বাড়ির দারোয়ানের কাজ করতেন তিনি। বেশ কিছুদিন ধরে কবিতা শারীরিকভাবে অসুস্থ। চিকিৎসক কবিতাকে ডেঙ্গু পরীক্ষার পরামর্শ দেন। তিনি ডেঙ্গু পরীক্ষা না করিয়ে কবিতাকে কবিরাজ দেখান।

সোহাগ মিয়া জানান, আজ রোববার দুপুরে কবিতার জন্য স্থানীয় বাজারে ডাব কিনতে যান তিনি। বাসায় ফিরে দেখেন দরজা ভেতর থেকে বন্ধ। তিনি জানালা ভেঙে দরজা খুলে দেখেন কবিতা ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। পরে প্রতিবেশীদের সহায়তায় মরদেহ ঝুলন্ত অবস্থা থেকে নামিয়ে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে আসেন। হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক কবিতাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়িকে বিষয়টি অবহিত করে। 

পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়। এছাড়া জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সোহাগ মিয়াকে আটক করা হয়।

ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া সমকালকে বলেন, দুপুর ২টার দিকে খবর পেয়ে হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এছাড়া ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তাঁর স্বামী সোহাগ মিয়াকে আটক করা হয়েছে।