রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর কাজলা এলাকার বাসা থেকে এক দম্পতির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এর মধ্যে রবিউল ইসলামের (২৫) মরদেহ ছিল গলায় ফাঁস দেওয়া ও ঝুলন্ত অবস্থায়। আর তাঁর স্ত্রী বেবী আক্তার ওরফে বন্যার (২০) মরদেহ গলাকাটা অবস্থায় পাওয়া যায়। পুলিশের ধারণা, স্ত্রীকে হত্যার পর আত্মহত্যা করেন স্বামী।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ডেমরা জোনের সহকারী কমিশনার মধুসূদন দাস সমকালকে বলেন, ‘কাজলা এলাকায় মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলীর তিন তলা বাড়ির দোতলায় ভাড়া থাকতেন ওই দম্পতি। খবর পেয়ে পুলিশ মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে সেখানে যায়। পরে স্বামী-স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়। ময়নাতদন্তে তাদের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ বেরিয়ে আসবে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ওই নারীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। আর ফ্যানের সঙ্গে ঝুলে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন তার স্বামী।’

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, রবিউল স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন। বন্যা বেশিরভাগ সময় বাসায় থাকতেন। প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে দুই বছর আগে তারা বিয়ে করেন। মঙ্গলবার দুপুর থেকেই তাদের কোনো সাড়া পাচ্ছিলেন না বাড়ির লোকজন। একপর্যায়ে সন্দেহ হলে বিকেল ৪টার দিকে তাদের ডাকাডাকি করেও সাড়া মেলেনি। তখন বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়।