আসামের শিলচরে অবস্থিত ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতে (এনআইটি) ভারতরত্ন ড. এ পি জে আব্দুল কালাম লার্নিং অ্যান্ড রিসোর্স সেন্টারে ‘বঙ্গবন্ধু কর্নার’ এবং লাইব্রেরি প্রাঙ্গণে ‘বঙ্গবন্ধু গার্ডেন’ উদ্বোধন করেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। 

শনিবার ভারতের এনআইটির ডিরেক্টর প্রফেসর রজত গুপ্তকে সঙ্গে নিয়ে তিনি এ কর্নার ও গার্ডেন উদ্বোধন করেন। মুজিব গার্ডেন উদ্বোধনের পর সেখানে গাছের চারা রোপণ করেন মন্ত্রী। উদ্বোধন শেষে স্থানীয় ভূপেন হাজারিকা অডিটোরিয়ামে আয়োজিত আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। 

তিনি বলেন, এখন থেকে এখানকার শিক্ষার্থীরা বঙ্গবন্ধুর জীবন-সংগ্রাম, আদর্শ ও স্বপ্ন সম্পর্কে আরও বেশি জানতে পারবে। বাংলাদেশের দীর্ঘ স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস এবং ভারত সরকার কীভাবে আমাদের মুক্তিযুদ্ধে সহায়তা করেছে তাও জানতে পারবে।

মোমেন বলেন, আমাদের উভয় দেশের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, ভাষা প্রায় একই রকম। মানুষে মানুষে সুসম্পর্ক থাকলে কোনো কিছু আমাদের মাঝে বাধা হয়ে থাকবে না। 

পরে শিলচরে স্থাপিত মুজিব কর্নারে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন তাঁর লিখিত ও সম্পাদিত বঙ্গবন্ধু, বাংলাদেশ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের উন্নয়ন বিষয়ক কিছু বই উপহার দেন। 

উদ্বোধনী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের মধ্যে এমপি মুহিবুর রহমান মানিক, ইকবালুর রহিম, গাজী মোহাম্মদ শাহনেওয়াজ, সাবেক পররাষ্ট্র সচিব শমসের মবিন চৌধুরী, ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মুস্তাফিজুর রহমানসহ এনআইটি শিলচরের শিক্ষক, সিলেটের ব্যবসায়ী, রাজনৈতিক ও গণমাধ্যম প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, প্রথমবারের মতো আয়োজিত শিলচর-সিলেট উৎসবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেনের নেতৃত্বে শুক্রবার একদল প্রতিনিধি আসামে পৌঁছান। ওইদিন সন্ধ্যায় শিলচর পুলিশ গ্রাউন্ডে দুই দিনব্যাপী শিলচর-সিলেট উৎসবের উদ্বোধন করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। শনিবার তিনি বঙ্গবন্ধু কর্নার ও গার্ডেনের উদ্বোধন এবং আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন।