ঢাকা বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

সামাজিক মাধ্যমে বিভ্রান্তি প্রতিরোধে সচেতনতা দরকার: পিআইবি মহাপরিচালক

সামাজিক মাধ্যমে বিভ্রান্তি প্রতিরোধে সচেতনতা দরকার: পিআইবি মহাপরিচালক

ছবি: সংগৃহীত

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ | ২২:৫৩

প্রেস ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশের (পিআইবি) মহাপরিচালক জাফর ওয়াজেদ বলেছেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম অসম্পাদিত মাধ্যম। একে সংবাদ মাধ্যম হিসেবে গণ্য করা যায়না। তাই বিভ্রান্তি প্রতিরোধে সচেতনতার গুরুত্ব অপরিসীম। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আসক্তির কারণে শিশুদের সুকুমারবৃত্তি প্রস্ফুটিত হচ্ছেনা।

বৃহস্পতিবার ‘সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজবের বিস্তার বিষয়ক পরিস্থিতি পর্যালোচনায় বাংলাদেশের তিন জেলায় পরিচালিত গবেষণার তথ্য উপাত্ত উপস্থাপন’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে এসব কথা বলেন তিনি। সাউথ এশিয়া সেন্টার ফর মিডিয়া ইন ডেভেলপমেন্ট (সাকমিড) ও পিআইবির যৌথ আয়োজনে গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করা হয়।  

বৈঠকে বক্তরা বলেন, ডিজিটাল ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রতিরোধের ক্ষেত্রে সচেতনতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এজন্য এই মাধ্যমসমূহ ব্যবহারের ক্ষেত্রে ভাষা প্রয়োগ, ছবি ও ভিডিও ব্যবহারের ক্ষেত্রে সংবেদনশীল হওয়া বাঞ্চনীয়। আর ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য থেকে উত্তোরণের জন্য সচেতনতার পাশাপাশি,মানসিকতা পরিবর্তন জরুরি।

কিংডম অফ দ্য নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের সিনিয়র পলিসি অ্যাডভাইজার নামিমা আক্তার বলেন, ফেক নিউজ যাচাই করা গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এটা সত্য যাচাই করার অন্যতম মাধ্যম।

ঢাকা মেট্টোপলিটন পুলিশের সাইবার ক্রাইম বিভাগের পুলিশ সুপার মোঃ নাজমুল ইসলাম সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার ও তার প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি গণমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যমের পার্থক্য তুলে ধরেন।

গোলটেবিল বৈঠকে তিনটি জেলার উপর চালানো জরিপের ফলাফল নিয়ে আলোচনা করেন ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির মিডিয়া স্টাডিজ ও জার্নালিজম বিভাগের চেয়ারপার্সন ড. শেখ মোহাম্মদ শফিউল ইসলাম। তিনি সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারের সংখ্যা, ব্যবহারের পদ্ধতি ও অন্যান্য বিষয় তুলে ধরেন।

আলোচনায় এটিএন নিউজের প্রধান প্রতিবেদক আরাফাত সিদ্দিকী বলেন, বৈশ্বিক গণমাধ্যম পর্যবেক্ষণ বা গ্লোবাল মিডিয়া মনিটরিং ১৯৯৫ সালে শুরু হলেও বাংলাদেশে এর যাত্রা শুরু হয় ২০০৫ সালে। যদিও বাংলাদেশে গণমাধ্যম পর্যবেক্ষণ খুব একটা ফলপ্রসূ নয়, তারপরও কিছু নীতিমালার বিষয় তুলে ধরেন। তিনি বলেন, সামাজিক মাধ্যমে তথ্য উপস্থাপনে পাঠক, দর্শক বা শ্রোতাকে যেমন জেন্ডার সহিংসতাকে উসকে দিতে পারে, তেমনি নতুন কিছু ইতিবাচক ধারণাও সৃষ্টি করতে পারে। 

গোলটেবিলে সাংবাদিক, বিশেষজ্ঞ, আইনজীবী, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকসহ ৪০ জন অংশগ্রহণ করেন। 

আরও পড়ুন

×