রাজধানীর যাত্রাবাড়ী আড়তে চাঁদাবাজির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ইমরান হোসেন (৩৫) নিহতের ঘটনায় মামলা হয়েছে। নিহতের স্ত্রী পপি আক্তার মঙ্গলবার রাতে যাত্রাবাড়ী থানায় এ মামলা করেন। এতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ৫০ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মাসুম মোল্লাসহ ২২ জনের নাম উল্লেখ এবং আরও অজ্ঞাত ২০-২৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। পরে রাতেই আটজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

যাত্রাবাড়ী আড়তটি ৫০ নম্বর ওয়ার্ডের আওতাধীন। চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে সোমবার রাতে আড়তে ইমরান, তাঁর সহকর্মী সিদ্দিক ও শাহাদাতের ওপর হামলা হয়। তাঁরা ঢাকা জেলা ট্রাক-ট্যাঙ্কলরি-কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের 'লাইনম্যান'। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা পণ্যবাহী ট্রাক থেকে চাঁদা তুলতেন।

এজাহারে বলা হয়, চাঁদার টাকা তোলাকে কেন্দ্র করে ওয়ার্ড কাউন্সিলর মাসুম মোল্লার হুকুমে আসামিরা ইমরানকে কুপিয়ে খুন করে। মামলায় দুই নম্বর আসামি আকরাম উজ্জামান ওরফে উজ্জ্বল মোল্লা কাউন্সিলরের ভাগ্নিজামাই। অন্য আসামিরা হলেন- মো. মুস্তাকিম, মো. শুভ, মোহাম্মদ আলী, মো. আরিফ, তানজিল মিয়া, মো. পলাশ, মো. জামাল, বুলু মিয়া, রাজিব আহমেদ, রমজান মোল্লা, মো. জাহিন, মো. দেলা, মো. হাসান, মো. সাগর, মো. রাজু, মো. সুমন, মো. ফয়সাল, মো. পারভেজ, মো. সোহেল ও মো. রাজন। এদের মধ্যে মুস্তাকিম, শুভ, আরিফ, তানজিল মিয়া ও রমজান মোল্লাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ছাড়া সন্দেহভাজন তিনজনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

যাত্রাবাড়ী থানার ওসি মফিজুল আলম জানান, গ্রেপ্তারদের বুধবার আদালতে হাজির করে রিমান্ড আবেদন করা হয়। আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।